০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“জীবন উৎসর্গের নামে নেতানিয়াহুকে হত্যার পরিকল্পনা, ক্যানসারে আক্রান্ত বৃদ্ধা আটক”

Reporter Name
  • Update Time : ০১:০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • / ১৪৮ Time View

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে সত্তরোর্ধ্ব এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই নারী বিস্ফোরক ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
তেল আবিবের বাসিন্দা এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিচিত মুখ ওই নারীর বয়স ৭৩ বছর বলে জানা গেছে। ক্যানসারে আক্রান্ত ওই নারী মনে করতেন, বর্তমান সরকার ইসরায়েলের জন্য একটি হুমকি। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ওই নারী তার পরিকল্পনার কথা একজন সহকর্মীকে জানান এবং রকেট-চালিত গ্রেনেড কেনার জন্য তার সাহায্য চান। একইসাথে তিনি নেতানিয়াহুর গতিবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন। তবে সেই সহকর্মী বিষয়টি পুলিশকে জানালে ওই নারীকে দুই সপ্তাহ আগে আটক করা হয়।
আদালতের নির্দেশে ওই নারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তাকে কিছু শর্তে মুক্তি দেওয়া হলেও, সরকারি কোনো ভবনের আশেপাশে এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে ‘অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র’ এবং ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করার কথা রয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রসিকিউশন তাকে গৃহবন্দী রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।
ইসরায়েলে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিরল হলেও, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইৎজাক রবিনকে হত্যা করা হয়েছিল। এর আগেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটেছে। গত বছর সামাজিক মাধ্যমে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

“জীবন উৎসর্গের নামে নেতানিয়াহুকে হত্যার পরিকল্পনা, ক্যানসারে আক্রান্ত বৃদ্ধা আটক”

Update Time : ০১:০২:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে সত্তরোর্ধ্ব এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই নারী বিস্ফোরক ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে।
তেল আবিবের বাসিন্দা এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিচিত মুখ ওই নারীর বয়স ৭৩ বছর বলে জানা গেছে। ক্যানসারে আক্রান্ত ওই নারী মনে করতেন, বর্তমান সরকার ইসরায়েলের জন্য একটি হুমকি। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ওই নারী তার পরিকল্পনার কথা একজন সহকর্মীকে জানান এবং রকেট-চালিত গ্রেনেড কেনার জন্য তার সাহায্য চান। একইসাথে তিনি নেতানিয়াহুর গতিবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন। তবে সেই সহকর্মী বিষয়টি পুলিশকে জানালে ওই নারীকে দুই সপ্তাহ আগে আটক করা হয়।
আদালতের নির্দেশে ওই নারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তাকে কিছু শর্তে মুক্তি দেওয়া হলেও, সরকারি কোনো ভবনের আশেপাশে এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার বিরুদ্ধে ‘অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র’ এবং ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করার কথা রয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রসিকিউশন তাকে গৃহবন্দী রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।
ইসরায়েলে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিরল হলেও, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইৎজাক রবিনকে হত্যা করা হয়েছিল। এর আগেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটেছে। গত বছর সামাজিক মাধ্যমে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।