সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশালে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব পালন করেছে লাভ ফর ফ্রেন্ডস জিমাউফা মহিলা ও শিশু আইনি সহায়তা কেন্দ্রের উপদেষ্টা হলেন উদ্ভাবক মিজান একই স্থানে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সভা, ১৪৪ ধারা জারি সরকারী নির্দেশনা মানছে না যশোর মনিরামপুর কেশবপুর রোডের গনপরিবহন কতৃপক্ষ যে কারণে ৩ দিন সারাদেশে গ্যাসের সংকট থাকবে সারা দেশে গ্যাস সংকট থাকবে ৩ দিন আগামী ৩ দিনে আরও বাড়তে পারে বৃষ্টিপাত মানিকগঞ্জে চরাঞ্চলে কৃষি কাজে ব্যস্ত বেকার শ্রমিকরা কোপা শুরুর আগেই কলম্বিয়া দলে করোনার হানা ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে যা বললেন বাইডেন ৩৮ স্ত্রী, ৮৯ সন্তান! মারা গেলেন বিশ্বের বৃহত্তম পরিবারের কর্তা নকল গয়না নিয়ে মারামারি, কনেকে তালাক, জরিমানা দিয়ে রক্ষা বরপক্ষের! আজ ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। বরিশাল অনলাইন সাংবাদিক পরিষদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন বরিশাল শহরে অপরাধ করলে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবেনা। ত্রাস রাসেল মোল্লা গ্রেফতারে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে কুষ্টিয়ায় চাঁদা না পাওয়ায় কাউন্সিলর কর্তৃক রিপনকে ছুরিকাঘাত, আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ উজিরপুর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কুষ্টিয়া ইবি থানায় ওপেন হাউজডে অনুষ্ঠানে নবাগত পুলিশ সুপার খাইরুল আলম আগামীকাল পবিত্র শবে মেরাজ
মৃত ছেলেসহ মাকে রাস্তায় ফেলে গেল বাসচালক

মৃত ছেলেসহ মাকে রাস্তায় ফেলে গেল বাসচালক

ঢাকার সাভার থেকে ২ হাজার টাকার বিনিময়ে অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে আহাদ পরিবহনের একটি বাসে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেন এক মা। পথে গাড়ির মধ্যেই মারা যান যুবক। করোনা রোগী ভেবে মৃত ছেলেসহ মাকে গভীর রাতে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যান বাসের চালক ও হেলপার। ছেলের লাশ নিয়ে রাস্তার পাশেই সারারাত বসে থাকেন মা। পরে খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল টিম মৃতের নমুনা সংগ্রহ করে। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন লাশটি দাফনের ব্যবস্থা করে।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, নিহতের মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তার ছেলের করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। এর পরও খবর পেয়ে স্থানীয় মেডিক্যাল টিম তার নমুনা সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করে লাশটি দাফনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা জাহানপুরের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ৩-৪ দিন আগে ঢাকায় যান কোমরের ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা করাতে। সেখানে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন তার স্ত্রী। চিকিৎসা শেষে মাকে নিয়ে সাভারের বিশমাইল থেকে সোমবার রাতে তিনি আহাদ পরিবহনের একটি বাসে করে জয়পুরহাটে রওনা দেন। পথে মিজানুর রহমান মারা যান। করোনা রোগী ভেবে রাতের অন্ধকারেই জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের হিচমী বাজারে ছেলের লাশসহ মাকে ফেলে দিয়ে চলে যান চালক ও হেলপার।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, তারা ডিউটি করে সেহরি খেতে যান। পরে ৩টা ২০ মিনিটের সময়ে তারা এসে দেখেন এক অসহয় মা তার সন্তানের লাশটি নিয়ে রাস্তার ধারে বসে আছেন।

এদিকে দেশে চলমান পরিস্থিতিতে ‘লকডাউনের’ মধ্যে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঢাকা থেকে কীভাবে একটি গণপরিবহন জয়পুরহাট পর্যন্ত এলোÑ এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে। এ ব্যাপারে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদ খ. ম. আবদুর রহমান রনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে একটি গণপরিবহন জয়পুরহাটে প্রবেশ করলনা এমন প্রশ্নের উত্তরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহরিয়ার খান বলেন, ‘প্রথমেই বলা যায় এটি ঢাকাকেন্দ্রিক সমস্যা। এর পর বলব হাইওয়ে পুলিশ কী করল? ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাড়িগুলো শহরে না ঢুকে বাইপাস হয়ে হিলিতে যায়। যে কারণে থানাপুলিশের অনুপস্থিতিতে গত রাতে এ অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটে।’

জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন সেলিম মিয়া বলেন, নিহতের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ইতোমধ্যেই ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, জয়পুরহাট জেলায় এ পর্যন্ত করোনা সন্দেহে তিন হাজার ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করার পর ৫৬ জনের পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ায় পাঁচজনকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

 362 total views,  6 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2018 doinikjonotarkhobor