মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বরিশাল শহরে অপরাধ করলে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবেনা। ত্রাস রাসেল মোল্লা গ্রেফতারে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে কুষ্টিয়ায় চাঁদা না পাওয়ায় কাউন্সিলর কর্তৃক রিপনকে ছুরিকাঘাত, আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় অভিযোগ উজিরপুর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ কুষ্টিয়া ইবি থানায় ওপেন হাউজডে অনুষ্ঠানে নবাগত পুলিশ সুপার খাইরুল আলম আগামীকাল পবিত্র শবে মেরাজ ঝালকাঠিতে মাদক মামলার পলাতক আসামি মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড কাঁঠালিয়ায় সেতু ভেঙে পাথর বোঝাই ট্রাক খালে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে যাচ্ছে ডিসেম্বরে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ কুষ্টিয়ার এক ব্যবসায়ীর ড্রাইভার তৌহিদুল ইয়াবা সহ আটক হলেও জব্দ তালিকায় নেই গাড়ি! মরহুম সাহেব আলী আঞ্জুর ইন্তেকালে ইশা ছাত্র আন্দোলন যশোর জেলা শাখার শোক প্রকাশ তাহিরপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের দিনের বেলায় দেয়াড়া গ্রামের মাহফিলে লক্ষ মুসল্লিদের উপস্থিতি বহুল আলোচিত কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নানা আয়োজনে বাগেরহাটে নারী দিবস পলিত ইয়াবাসহ মাদক ব্যাবসায়ী আটক বাসের চাঁপায় শিক্ষক নিহত ভাড়া দিতে না পাড়ায় বাস থেকে ছুড়ে ফেলা হলো প্রতিবন্ধী নারীকে
মৃত ছেলেসহ মাকে রাস্তায় ফেলে গেল বাসচালক

মৃত ছেলেসহ মাকে রাস্তায় ফেলে গেল বাসচালক

ঢাকার সাভার থেকে ২ হাজার টাকার বিনিময়ে অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে আহাদ পরিবহনের একটি বাসে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেন এক মা। পথে গাড়ির মধ্যেই মারা যান যুবক। করোনা রোগী ভেবে মৃত ছেলেসহ মাকে গভীর রাতে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যান বাসের চালক ও হেলপার। ছেলের লাশ নিয়ে রাস্তার পাশেই সারারাত বসে থাকেন মা। পরে খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল টিম মৃতের নমুনা সংগ্রহ করে। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন লাশটি দাফনের ব্যবস্থা করে।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, নিহতের মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তার ছেলের করোনার কোনো উপসর্গ ছিল না। এর পরও খবর পেয়ে স্থানীয় মেডিক্যাল টিম তার নমুনা সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ধামইরহাট উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করে লাশটি দাফনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা জাহানপুরের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ৩-৪ দিন আগে ঢাকায় যান কোমরের ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা করাতে। সেখানে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন তার স্ত্রী। চিকিৎসা শেষে মাকে নিয়ে সাভারের বিশমাইল থেকে সোমবার রাতে তিনি আহাদ পরিবহনের একটি বাসে করে জয়পুরহাটে রওনা দেন। পথে মিজানুর রহমান মারা যান। করোনা রোগী ভেবে রাতের অন্ধকারেই জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের হিচমী বাজারে ছেলের লাশসহ মাকে ফেলে দিয়ে চলে যান চালক ও হেলপার।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, তারা ডিউটি করে সেহরি খেতে যান। পরে ৩টা ২০ মিনিটের সময়ে তারা এসে দেখেন এক অসহয় মা তার সন্তানের লাশটি নিয়ে রাস্তার ধারে বসে আছেন।

এদিকে দেশে চলমান পরিস্থিতিতে ‘লকডাউনের’ মধ্যে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঢাকা থেকে কীভাবে একটি গণপরিবহন জয়পুরহাট পর্যন্ত এলোÑ এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে। এ ব্যাপারে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদ খ. ম. আবদুর রহমান রনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে একটি গণপরিবহন জয়পুরহাটে প্রবেশ করলনা এমন প্রশ্নের উত্তরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহরিয়ার খান বলেন, ‘প্রথমেই বলা যায় এটি ঢাকাকেন্দ্রিক সমস্যা। এর পর বলব হাইওয়ে পুলিশ কী করল? ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাড়িগুলো শহরে না ঢুকে বাইপাস হয়ে হিলিতে যায়। যে কারণে থানাপুলিশের অনুপস্থিতিতে গত রাতে এ অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি ঘটে।’

জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন সেলিম মিয়া বলেন, নিহতের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ইতোমধ্যেই ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, জয়পুরহাট জেলায় এ পর্যন্ত করোনা সন্দেহে তিন হাজার ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করার পর ৫৬ জনের পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়ায় পাঁচজনকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

 264 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2018 doinikjonotarkhobor