
ময়মনসিংহ নেত্রকোনায় ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার চাঞ্চল্যকর মামলার প্রধান আসামি শিক্ষক আমান উল্লাহ ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে তাকে আটক করা হয়।
অভিযানের বিবরণ
র্যাব-১৪ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাঈমুল হাসানের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় র্যাবের একটি চৌকস দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা এই দুর্ধর্ষ আসামিকে জালে তুলতে সক্ষম হয় তারা।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়:
পেশাগত ক্ষমতার অপব্যবহার: অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ তার পেশাগত অবস্থানের সুযোগ নিয়ে ভিকটিম শিশুটিকে দীর্ঘ সময় ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন।
পাশবিক নির্যাতন: প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ওই শিশুকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়, যার ফলে শিশুটি একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
পলায়ন: বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এবং মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
"প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আমান উল্লাহ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।" — র্যাব-১৪
জনমনে প্রতিক্রিয়া
শিক্ষকের মতো একটি মহান পেশায় থেকে এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় নেত্রকোনা ও গৌরীপুর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।