সাইনবোর্ডে স্পষ্ট হরফে লেখা—‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন: যাত্রী ছাউনি’। তবে সাইনবোর্ডের লেখা ছাড়া এটিকে সাধারণ মানুষের বাসের অপেক্ষায় দাঁড়ানোর জায়গা মনে করার কোনো উপায় নেই। দূর থেকে দেখলে মনে হবে ফুটপাতের কোনো জমজমাট ভ্রাম্যমাণ কাপড়ের দোকান। যাত্রী ছাউনির চারপাশজুড়ে ঝুলছে শার্ট, টি-শার্ট, জিন্স প্যান্টসহ হরেক রকমের পোশাক। বসার আসন থেকে শুরু করে ভেতরের পুরো মেঝে এখন হকারদের কাপড়ের পসরায় ঢেকে গেছে।
চরম ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রী
রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরাপদে বাসের জন্য অপেক্ষার সুবিধা দিতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে এসব ছাউনি নির্মাণ করে সিটি করপোরেশন। কিন্তু নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর অভিযানের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই গণস্থাপনাগুলো চলে গেছে অবৈধ দখলদারদের কবলে। ছাউনিতে দাঁড়ানোর তিলধারণ ঠাঁই না পেয়ে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে মূল সড়কে—যানবাহনের তীব্র কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি আর দুর্ঘটনার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে।
কর্তৃপক্ষের নীরবতায় ক্ষোভ
নাকের ডগায় প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি সম্পদ দখল করে এভাবে বাণিজ্যিক পসরা বসানো হলেও সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। দায়িত্বশীলদের এমন নির্লিপ্ততায় পথচারী ও নিয়মিত যাত্রীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
ভুক্তভোগী নগরবাসীর দাবি—অবিলম্বে ফুটপাত ও যাত্রী ছাউনি থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা হোক, যাতে সরকারি খরচে নির্মিত এসব ছাউনি প্রকৃত অর্থেই সাধারণ মানুষের কাজে আসে।