০৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রায়গঞ্জে ফেসবুক পোস্টের জেরে হামলা ও হুমকি: স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুন্নবী চৌধুরীর দ্রুত বিচার দাবী

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদন :

দুই থেকে তিন মাস আগে রায়গঞ্জ বাস স্ট্যান্ড এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা নুরুন্নবী চৌধুরী ফেসবুকে ফারুক নামে এক আওয়ামী লীগপন্থী ব্যক্তির ছবি পোস্ট করলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন ফারুক নিজে ও তার সহযোগী আবু সায়েম, এবং পাশে ছিলেন রনি ও খাইরুল। এছাড়া, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই ঘটনার সঙ্গে অজ্ঞাত আরও কয়েকজন ব্যক্তিও জড়িত রয়েছে।

চৌধুরী জানিয়েছেন, এই হামলার পর তিনি এখনও বিচার পাননি। বরং বর্তমানে তিনি মেসেঞ্জারের মাধ্যমে হুমকির শিকার হচ্ছেন, যা তার নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি প্রশাসন এবং নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনকে আবেদন করেছেন, যেন তারা ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হয়।

নুরুন্নবী চৌধুরী বলেন,
“যদি কোনো দলীয় বা প্রশাসনিক সঠিক বিচার না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির দায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনকেই বহন করতে হবে। ন্যায়বিচারই এখন আমার একমাত্র দাবি।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনায় পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। চৌধুরী আরও দাবি করেছেন, প্রশাসন যেন অভিযোগকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং ঘটনার সকল দিকের তথ্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো হয়।
স্থানীয় জনগণও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছেন, যদি এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ ভোটাররা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রায়গঞ্জে ফেসবুক পোস্টের জেরে হামলা ও হুমকি: স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নুরুন্নবী চৌধুরীর দ্রুত বিচার দাবী

Update Time : ০৬:১৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদন :

দুই থেকে তিন মাস আগে রায়গঞ্জ বাস স্ট্যান্ড এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা নুরুন্নবী চৌধুরী ফেসবুকে ফারুক নামে এক আওয়ামী লীগপন্থী ব্যক্তির ছবি পোস্ট করলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন ফারুক নিজে ও তার সহযোগী আবু সায়েম, এবং পাশে ছিলেন রনি ও খাইরুল। এছাড়া, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই ঘটনার সঙ্গে অজ্ঞাত আরও কয়েকজন ব্যক্তিও জড়িত রয়েছে।

চৌধুরী জানিয়েছেন, এই হামলার পর তিনি এখনও বিচার পাননি। বরং বর্তমানে তিনি মেসেঞ্জারের মাধ্যমে হুমকির শিকার হচ্ছেন, যা তার নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তিনি প্রশাসন এবং নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনকে আবেদন করেছেন, যেন তারা ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হয়।

নুরুন্নবী চৌধুরী বলেন,
“যদি কোনো দলীয় বা প্রশাসনিক সঠিক বিচার না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির দায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনকেই বহন করতে হবে। ন্যায়বিচারই এখন আমার একমাত্র দাবি।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার না হলে সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনায় পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। চৌধুরী আরও দাবি করেছেন, প্রশাসন যেন অভিযোগকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং ঘটনার সকল দিকের তথ্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো হয়।
স্থানীয় জনগণও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছেন, যদি এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ ভোটাররা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন হবে।