সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৩:০০ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
ধামরাইয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সামাজিক দূরত্ব না মেনে খোশগল্পঃ বরিশাল জেলা প্রশাসন কর্তৃক ৫০০০টাকা জরিমানা। বিসিসির ত্রান তহবিল গঠন: মেয়র দিলেন সম্মানির সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা। বরিশাল নগরীতে বেড়েছে জনসমাগম, খুলেছে অনেক দোকান গাদ্দাফিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতকারী সেই জিবরিলের মৃত্যু হলো করোনায় দেশে করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৯ ঢাকার ধামরাই থানা পুলিশের অভিযান ঢাকা আরিচা মহা সড়কে! করোনার লক্ষণ নিয়ে দুদক পরিচালক জালাল সাইফুরের মৃত্যু ধামরাইয়ে মসজিদে মসজিদে বেস্ট ডান ফোরামের জীবাণুনাশক স্প্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ছয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে জরিমানা কারোনা আতঙ্কে এলাে না কেউ, মরদেহ কাঁধে নিয়ে শ্মশানে চার মেয়ে লকডাউনেও কাশ্মীরে অভিযান, পাল্টা হামলায় ৩ ভারতীয় সেনা নিহত পিপিই সংকট: পলিথিন পরেই চিকিৎসা দিচ্ছেন ব্রিটিশ ডাক্তাররা লকডাউনের ভিতরেও কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের গুলিতে নিহত ৯ রহিমা-ফাতেমা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইমপেক্স মটরর্সের সৌজন্যে কর্মহীনদের মাঝে ত্রাণ বিতরন। করোনা সংকটে রব এর জাতীয় ঐক্যের ডাক। রাঙ্গাবালীতে ঘরে ঘরে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গেলেন এমপি মহিব ধামরাইয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির খাবার সামগ্রী বিতরণ অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র ও বেকার প্রতিবন্ধীদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। করোনা প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বর্ণপরিচয় এর সচেতনতা।
বরিশাল চাঁদপুরা ইউনিয়নে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নির্মানধীন বিল্ডিং ভাংচুর

বরিশাল চাঁদপুরা ইউনিয়নে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে নির্মানধীন বিল্ডিং ভাংচুর

★অভিযোগের তীর ছাএলীগ নেতা সুজনের বিরুদ্ধে ★রহস্যজনকসুএে মামলা নিচ্ছেনা বন্দরথানা পুলিশ। ★সন্ত্রাসী ভুমিকায় এলাকায় বলীয়ান আঃরব গং. স্টাফ রিপোর্টার : বরিশাল সদর উপজেলায় ১ নং চাঁদপুরা ইউনিয়নে এক অসহায় পরিবারের নির্মানধীন বিল্ডিং সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে ভেংগে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।এতে প্রায় ভুক্তভোগী পরিবারটির দুই লক্ষ টাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। জানা যায়, বন্দরথানাধীন চাঁদপুরা মৌজার জে-এল নং ৭৪ এস এ ৬৭৩ খতিয়ানের ১৬২৭ নং দাগের জমিতে ওবায়দুর রহমান বশির ও ইব্রহিম গং ক্রয় করে পৈএিক ওয়ারিশ সুএে মালিক হইয়া দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করে আসছে।যা এলাকার চেয়্যারম্যান মেম্বার থেকে শুরু করে স্থানীয় লোকজন অবগত।সম্পতিক তারা তাদের ক্রয়কৃত জমিতে বিল্ডিং নির্মান করে।তাদের বিল্ডিং নির্মান এর জায়গা দাবী করে আসছে সন্ত্রাসী বাহীনি আঃরব গং।কিন্তু আঃ রব গং দাবিকৃত জমির সঠিক কোন কাগজপএ দেখাতে পারেনি।বরংচ থানায় বিভিন্ন ক্ষমতাসীন ব্যাক্তিদের নিয়ে অভিযোগ করে এবং অভিযোগের ভিওিতে নির্মানধীন কাজ বন্ধ রাখে।এ ব্যাপারো ভুক্তভোগী ওবায়দুর রহমান বশির জানান, আমার ভাইয়ের বিল্ডিং নির্মানধীন কাজ করতে সন্ত্রাসীরা বাহিনীরা আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে।এছাড়া দাবীকৃত চাদার টাকার না দিলে তোকে ঘর উঠতে দিবেনা বলে হুশিয়ারি প্রদান করে।যদি টাকা না দাও তোকে জীবনের তরো শেষ করে ফেলব বলে হুমকি দেয়।এভাবে বিভিন্ন ভাবে আমাকে ভয়ভিতী প্রদর্শন করে আসছে।সর্বশেষ গত ২২ তারিখ সকাল ১১ঃ৩০ ঘটিকার সময় আঃরব গংয়ের সন্ত্রসীরা রামদা,দাও,লোহার রড,সাবল,হকস্টিক,লাঠিসেটা ও নির্মানধীন বিল্ডিং ভাংগার সামগ্রী নিয়ে আমার চাদপুরা সাকিনস্থ বসতবাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার ছোট ভাই ইব্রহিম কে খোজাখোজি করে।তখন আমাদের কাউকে না পেয়ে সন্ত্রাসী বাহীনি রব হাওলাদার,কালু,কালাম,খলিল,সাজেদা বেগম,ইউসুফ সিকদার,ইদ্রিস সিকদার,রিমন,কাঞ্চন মাস্টার ও সদর উপজেলার ছাএলীগের বির্তকিত নেতা সুজনের লোকজন এবং তমাল সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জন আমার নির্মানধীন বিল্ডিং ৫৬ ফিট ওয়াল ভেংগে আনুমানিক দুইলক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে।এছাড়া ঘটনাস্থহলে আমার মা বৃদ্ধ থাকায় সন্ত্রাসীবাহিনীদের ভয়ে কিছু বলতে পারেনাই।এছাড়া আমার মায়ের কাছে আমার এবং আমার ছোট ভাইয়ের ছবি চায় ও আমাদেরকে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।এই সন্ত্রাসী বাহিনী আবদুর রব গ্যাংদের জন্য আমরা অসহায় পরিবার আতংকে জীবনযাপন করেছি।এছাড়া উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। এদিকে সরেজমিনে সংবাদাতারা উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ইব্রাহিম কাছে আলাপকালে সে জানায়, আমরা আদালতের রায় পেয়ে সুঠঠুভাবে প্রথমে স্থাপনা নির্মান করি।কিন্ত কাজ চলমান থাকার কিছুদিনের ভিতর বিভিন্ন সময় বাধা প্রদান করে।এছাড়া এলাকার চেয়্যারম্যান ও মেম্বাররা আমার রায়ের সকল কাগজপত্র দেখে কাজ চালিয়ে যেতে বলছেন।গত ২০ তারিখ আঃরব গংদের অভিযোগের ভিওিতে পুলিশ কাজ স্থাগিত রাখতে বলছে।কিন্ত পুলিশের নির্দেষ অমান্য করে ছাএলীগ ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের লোকদের এনে আমার স্থাপনা ভেংগে ফেলেন।আমি এর সঠিক বিচার চাই। অন্যাদের ভিতর আঃরব গংয়ের স্ত্রী সাজেদা জানায়, আমার নির্দেশে এখানে ভাংচুর হয়েছে।এছাড়া যারা ভাংছে তারা সকলে আমার ভাই।আমার ক্রয়কৃত জমির উপর ঘর নির্মান করছে বিধায় ভেংগে ফেলা হয়েছে।এই প্রতিবেদক কাগজ দেখতে চাইলে, সে কাগজ দেখাতে পারেনি,বরংচ উচ্চস্বরে বলে জমির কাগজ সব ওসির কাছে, এবং এখন বিল্ডিং ভাংছি যা হবার হবে।তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে, যে প্রশাসন অনুমতি না দেওয়া স্বওেও কিভাবে ভাংলেন,উওরে বলেন,যে আমার জমি আমার নির্দেশে ভাংগা হইছে।এছাড়া আরও জিজ্ঞাসা করে হলে,যে ছাএলীগের সাধারন সম্পাদক সুজন নামে এক ব্যাক্তি এই নির্মানধীন ভাংগার পিছনে অবগত রয়েছেন বলে শুনেছি,উওরে বলেন যে সুজন সহ যারা ছিল যারা ভেংগে ফেলেছে তারা সকলে আমার ভাই। এদিকে ছাএলীগ নেতা সুজনের ফোনে আলাপকালে জানায়,আমরা যেহেতু ছাএলীগ করি তার ভিওিতে আমার কাছে কয়েকদিন আগে আঃরব নামে এক অসহায় ব্যাক্তি আসে।সে আমাকে বলে, আমার জমিতে বশির ও ইব্রাহিম নামের ব্যাক্তিগন,আমার জমিতে বিল্ডিং নির্মান করে।পরে আমি বলেছি ব্যাপারটা সমাধানের ব্যাবস্থা যেভাবে হয় সেটা করব। তাকে জিজ্ঞাসা করে হলে যে,আপনার উপস্থিতিতে নাকি বিল্ডিং নির্মানকাজ লোকজন নিয়ে ভেংগে ফেলা হয়েছে,এই প্রস্নের উওরে সে জানায়,যে লাঠিসেটা নিয়ে ইব্রাহিম নিজের বিল্ডিং নিজেই ভাংছে।এই প্রতিবেদক আর ও জিজ্ঞাসা করে যে, আঃরব এর স্ত্রী (সাজেদা) বললো যে সুজন আমার ভাই।আমার ভাইয়েরা আমার নির্দেষে এগুলা ভেংগে ফেলেছে।তবে সকল কিছু অস্বিকার বির্তকিত এই নেতা বলেন,সে আমাকে হয়তবা আবেগবশতে ভাই বলছে।আর সে (সাজেদা) যেটা বলেছে সেটা সম্পুর্ন তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।বরিশাল জেলা ছাএলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হইলে,সে বলে দলের ভাবমুর্তি নষ্ট করে কেউ পার পেয়ে যাবেনা,যদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাই,প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে সংস্লিস্ট প্রতিবেদককে চাদপুরা ইউনিয়নের মেম্বার মোঃকালাম জানায়, দীর্ঘদিন যাবত উক্ত জমি নিয়ে দুপক্ষের বিরোধ চলে আসছিল।এছাড়া বন্দর থানা থেকে পুলিশ এসে আমার সাথে কথা বলে, কাগজপত্র দেখে কাজ চালিয়ে জাওয়ার কথা বলছিল।আমি নিজেও সকল কাগজপত্র দেখে কোর্টের রায়ের ভিওিতে কাজ চালিয়ে যেতে বলি।সর্বশেষ দুপক্ষকে ২৪ তারিখ শালীশির কথা বলি।কিন্ত আজ সকালে শুনতে পারলাম যে অনুৃমতি ব্যাতিত কেহ বা কারা এই নির্মানধীন বিল্ডিং ভেংগে ফেলেছে।এটা সম্পুর্ন আইনবিরোধী কাজ। অভিযোগের ভিওিতে পরিদর্শনে আসা বন্দর থানার এ এস আই,ইলিয়াছ বলে, ঘটনাস্থলে সুরতালাহা না পেয়ে চলে জাই।তবে যদি বিল্ডিং টি ভাংগা হয়ে সেটা নিয়মবহির্ভূত কাজ করেছে করেছে। বন্দরথানার ওসি আনোয়ার বলে,অভিযোগের ভিওিতে প্রথমে আমরা এসআই দেবাশিষ কে ঘটনাস্থলে পাঠালে সে সম্পুর্ন রিপোর্ট দিতে পারেনাই।তদ্রুপ ইন্সপেক্টর অপেরোশন সঞ্জয় কুমার কে তদন্ত করার জন্য দায়িত

60 total views, 1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




🏡 আমাদের পরিবারঃ

  • প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃআরিফুল ইসলাম
  • মোবাইলঃ ০১৭৭৭৮৮৮৮৯৭, ০১৯৫০৯০৬০৬০
  • ঠিকানাঃ
  • ১০ প্যারারা রোড (সাফারিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৬ তলা), বরিশাল
  • ইমেইলঃ doinikjonotarkhobor@gmail.com

 

➤সতর্কীকরণ: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© All rights reserved © 2018 doinikjonotarkhobor
Design By Rana