১১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোদির পা ছুঁতে গেলেন মিঠুন, তারপর যা ঘটল

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / ১৫৭ Time View

ভারতের পশ্চিম বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন অভিনেতা-নেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি দুর্গাপুরে রাজনৈতিক সফরে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে মোদির পাশে ছিলেন বিজেপিতে নতুন যোগ দেওয়া মিঠুন চক্রবর্তীও।
সেখানে মোদি তার বক্তব্য শেষ করে নিজে থেকেই মিঠুনের দিকে এগিয়ে যান মোদি। দু’জনে হাত মেলানো, মুখে হাসি।
দুর্গাপুরের সভায় সামনের সারিতেই উপস্থিত ছিলেন তিনি। আর ভাষণ শেষের পর বিদায় জানানোর মুহূর্তেই ঘটল অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা।

আসন ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে চলে আসেন মিঠুন।
অভিনেতা আচমকাই মোদিরর পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে এগিয়ে যান। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী তার কাঁধে হাত রেখে বাধা দিলেন। হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন, তিনি এটা চান না। বরং পরম স্নেহে মিঠুনকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। এই সৌজন্যে মুগ্ধ হয়ে গেছে অনেকেই।

এদিকে মিঠুন চক্রবর্তীর বয়স মোদির থেকে কয়েক মাস বেশি। দুজনেরই জন্ম ১৯৫০ সালে, তবে মিঠুনের জন্ম জুনে, আর মোদির সেপ্টেম্বরে।

বয়সে ছোট প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এমন শ্রদ্ধা দেখানো কি নিছক সম্মান, না কি রাজনৈতিক সৌজন্য—তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মোদির পা ছুঁতে গেলেন মিঠুন, তারপর যা ঘটল

Update Time : ০২:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

ভারতের পশ্চিম বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন অভিনেতা-নেতা মিঠুন চক্রবর্তী।
ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি দুর্গাপুরে রাজনৈতিক সফরে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে মোদির পাশে ছিলেন বিজেপিতে নতুন যোগ দেওয়া মিঠুন চক্রবর্তীও।
সেখানে মোদি তার বক্তব্য শেষ করে নিজে থেকেই মিঠুনের দিকে এগিয়ে যান মোদি। দু’জনে হাত মেলানো, মুখে হাসি।
দুর্গাপুরের সভায় সামনের সারিতেই উপস্থিত ছিলেন তিনি। আর ভাষণ শেষের পর বিদায় জানানোর মুহূর্তেই ঘটল অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা।

আসন ছেড়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে চলে আসেন মিঠুন।
অভিনেতা আচমকাই মোদিরর পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে এগিয়ে যান। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী তার কাঁধে হাত রেখে বাধা দিলেন। হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দিলেন, তিনি এটা চান না। বরং পরম স্নেহে মিঠুনকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। এই সৌজন্যে মুগ্ধ হয়ে গেছে অনেকেই।

এদিকে মিঠুন চক্রবর্তীর বয়স মোদির থেকে কয়েক মাস বেশি। দুজনেরই জন্ম ১৯৫০ সালে, তবে মিঠুনের জন্ম জুনে, আর মোদির সেপ্টেম্বরে।

বয়সে ছোট প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এমন শ্রদ্ধা দেখানো কি নিছক সম্মান, না কি রাজনৈতিক সৌজন্য—তা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।