রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২০, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ কুষ্টিয়া শহর ১৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহাফিল। কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাব কেপিসির উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা ও খাদ্য বিতরণ কুষ্টিয়া আলামপুর বালিয়াপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের আজ ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উদযাপন। কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাব কেপিসি’র উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত মানামী লঞ্চ মালিক সালামের পরকীয়া ফাঁস, থানায় অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু রাজধানীতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামী পলাতক কুষ্টিয়ায় ট্রাকচাপায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত রাজারহাটে সরক দূরঘটনায় নিহত ১ ঝালকাঠিতে ধ্রুবতারা জেলা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বন পরিবেশ মন্ত্রীর রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন উদ্ভাবক মিজান করোনাকালেও হাসপাতালে খুঁজে পাওয়া যায় না ডাক্তারকে শোকের মাস আগষ্ট আর সেই শোকের মাসে সব শোক কে স্বরন করে শোক প্রকাশ করেন জুবেল আহমদ এক বছর ঘুরে আবার এসেছে বাঙালি জাতির ইতিহাসে রক্তের কালিতে লেখা শোকাবহ আগস্ট প্রভাশক নূর হোসেন। উজিরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রোপনকৃত গাছ কেটে নদীতে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। কাঠালিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফলক উন্মোচন মেসার্স আর এম বি ব্রিক্সের মালিক দুই চুক্তিপএকে নিয়ে প্রতারণা করেন। নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে নির্যাতন,মারধরের পর গাঁয়ে মরিচের গুরা ও লবন ছিটিয়ে দেন।
ঘুমন্ত শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ

ঘুমন্ত শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ

জনতার ডেস্ক:স্টেশনে মায়ের পাশে গভীর ঘুমে মগ্ন ছিল তিন বছরের মেয়ে শিশুটি। এ সময় এক যুবক এসে শিশুটিকে মায়ের পাশ থেকে তুলে নিজের কোলে নেয়। তখনও ওই যুবকের কোলে গভীর ঘুমে শিশুটি। কিন্তু এই গভীর ঘুম থেকে এক নির্মম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চিরঘুমে যেতে হবে, তা হয়তো শিশুটি টেরও পায়নি।

ওই যুবকের সঙ্গে আরো দুই সঙ্গী ছিল। শিশুটিকে ঘুমন্ত অবস্থায় তুলে নিয়ে যাওয়ার পর গণধর্ষণ করে ওই তিন যুবক। নির্মমতার শেষ এখানেই নয়, গণধর্ষণের পর তিন বছরের এই শিশুর শরীর থেকে মাথা আলাদা করে তারা।

এই নির্মম ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশে। ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঘুমন্ত শিশুকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদের ঘটনায় রাজ্যে ব্যাপক তোলপার শুরু হয়।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। সন্দেহভাজন এই তিন ধর্ষকের একজন হলেন রিঙ্কু সাহা; যিনি ২০১৫ সালে একটি শিশুকে অপহরণের পর হত্যা চেষ্টার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে ছিলেন। সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

গ্রেফতার রিঙ্কু এবং তার বন্ধু কৈলাস পুলিশকে বলেছেন, তারা শিশুটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর সারাদিন গণধর্ষণ করেছেন। অনবরত কান্না করায় শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেন তারা।

মঙ্গলবার জামশেদপুর রেলস্টেশন থেকে চার কিলোমিটার দূরে একটি ময়লার ভাগাড়ের কাছে প্ল্যাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। কিন্তু শরীরের সঙ্গে ছিল না মাথা। শিশুটির মাথা এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

গত শুক্রবার জামশেদপুরের টাটানগর রেলস্টেশনে মায়ের পাশে ঘুমাচ্ছিল শিশুটি। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। রেলস্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হাফ প্যান্ট ও টি-শার্ট পরিহিত এক যুবক রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পাশে ঘুমিয়ে থাকা শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এই যুবক রিঙ্কু সাহা ছিলেন বলে ধারণা পুলিশের।

এর কয়েক ঘণ্টা পর শিশুটির মা থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি সন্দেহভাজন হিসেবে তার জীবনসঙ্গীর কথা পুলিশকে জানান। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ায় তার স্বামীর বাসা। কিছুদিন আগে তাকে তালাক দিয়ে জামশেদপুরে আসেন এই নারী।

এই রেলওয়ে স্টেশন থেকে মনু মন্ডল নামের এক ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে স্টেশন থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার সঙ্গে মনুও জড়িত।

প্রধান সন্দেহভাজনকে ধরতে সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তা নিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। রিঙ্কু সাহা সাংবাদিকদের বলেন,আমি শুধুমাত্র শিশুটিকে তুলে নিয়ে গিয়েছি। এটা আমার ভুল হয়েছে। আমি পড়ে গিয়েছিলাম এবং ভয় পেয়েছিলাম।

রিঙ্কু সাহার মা একজন পুলিশ সদস্য। এর আগেও একই ধরনের অপরাধের দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করেছেন তিনি। তিন সন্তানের বাবা এই সাহা এর আগে অনেক শিশুকে অপহরণ এবং যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জামশেদপুর টাটানগর রেলস্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এহতেশাম ওয়াকুয়ারিব বলেন, শিশুটির মাথা খুঁজে বের করার জন্য স্নাইফার ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হচ্ছে। শিশুটির মরদেহের ক্ষত দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।

 92 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2018 doinikjonotarkhobor