রবিবার, ৩১ মে ২০২০, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কর্পোরেট ট্যাক্সে ছাড় , বাজেট ২০২০-২০২১ আম্ফানের বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ নিজেরাই মেরামত করেছে খুলনার উপকূলবাসী নীলফামারী জেলায় আরো ১৯ জন করোনা শনাক্ত মধুখালী উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের পক্ষে বৃক্ষরোপন ঝালকাঠিতে পুলিশকে কোপানোর ঘটনায় আটক ২জন বরিশালে অসহায়  মানুষকে ফ্রি চিকিৎসা ও ঔষধ দিলো সেনাবাহিনী নতুন সূচী ঘোষণা এফএ কাপের শপথ গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের ১৮ বিচারপতির লিবিয়া থেকে মাকে ফোন যুবকের: সব বেচে টাকা পাঠাও, আমারে বাঁচাও! ওবায়দুল কাদের” গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা না হলে ব্যবস্থা করোনা মোকাবেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও সম্পৃক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর করোনার টিকার সফলতা নিয়ে ৯৯ ভাগ নিশ্চিত চীনা বিজ্ঞানীরা টিকিট বিক্রি অনলাইনে, ট্রেনের ভাড়া বাড়ছে না স্বামী-শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি মিলে হত্যা করে বউকে,প্রচারনা ভূতের আগামীকাল খুলে দেয়া হচ্ছে পবিত্র কাবা শরীফ এবং মসজিদে নববী চালু হচ্ছে গণপরিবহন, ৮০ শতাংশ ভাড়া বাড়ছে র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ রোহিঙ্গা অস্ত্র ব্যবসায়ী আটক টেকনাফে কাল থেকে চলবে বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের লঞ্চ, বরিশাল বিভাগে নতুন করে সর্বোচ্চ ৩৯ জনের করোনা শনাক্ত, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭৬৪ জনের করোনা শনাক্ত
কারোনা আতঙ্কে এলাে না কেউ, মরদেহ কাঁধে নিয়ে শ্মশানে চার মেয়ে

কারোনা আতঙ্কে এলাে না কেউ, মরদেহ কাঁধে নিয়ে শ্মশানে চার মেয়ে

করোনা ঠেকাতে ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। প্রতি মুহূর্তে বলা হচ্ছে, বাঁচতে হলে একমাত্র অস্ত্র সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। আর সেই সামাজিক দূরত্বের কারণে এবার মৃত্যুর পর এক ব্যক্তির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিল না কেউ। উল্লেখ্য, ওই ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। পরিস্থিতি দেখে তার শেষকৃত্যে এগিয়ে আসে তার চার মেয়ে। তারাই বাবার মরদেহ কাঁধে করে নিয়ে গেল শ্মশানে ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আলিগড়ে। মৃত ব্যক্তির নাম সঞ্জয় কুমার। স্থানীয় সূত্রে খবর, আলিগড়ের নুমাইশ ময়দানের চা-হেলিংয়ের বাসিন্দা ছিলেন বছর ৪৫ এর সঞ্জয় কুমার। পেশা চা বিক্রেতা হলেও বেশ কিছুদিন ধরে যক্ষ্মা রোগে ভুগছিলেন তিনি। অভাবের সংসারে সরকারি হাসপাতাল থেকে ওষুধ এনেই কোনও রকমে নিজের রোগের মোকাবিলা করছিলেন সঞ্জয়। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে, আর চার মেয়ে অভাবের কারণেই পড়াশোনা ছেড়ে ঘরের কাজ করে। তবে চরম দারিদ্রতার মধ্যেও কারও সাহায্য নেননি সঞ্জয় কুমার। সম্প্রতি তার শরীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। সরকারি হাসপাতালেও ওষুধের সঙ্কট। এই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া সম্ভব ছিল না তার পক্ষে। শেষরক্ষা হয়নি আর। অবশেষে মারা গেলেন তিনি। কিন্তু আতঙ্ক আর সামাজিক দূরত্ব কারণে তার মৃত্যুর পর সৎকারের কাজেও এগিয়ে আসেনি কেউ। শেষে চার মেয়েই কাঁধে করে বাবার মরদেহ নিয়ে যায় শ্মশানে। সেখানেই হয় শেষকৃত্য।

 108 total views,  1 views today

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




🏡 আমাদের পরিবারঃ

  • প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃআরিফুল ইসলাম
  • মোবাইলঃ ০১৭৭৭৮৮৮৮৯৭, ০১৯৫০৯০৬০৬০
  • ঠিকানাঃ
  • ১০ প্যারারা রোড (সাফারিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৬ তলা), বরিশাল
  • ইমেইলঃ doinikjonotarkhobor@gmail.com

 

➤সতর্কীকরণ: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

© All rights reserved © 2018 doinikjonotarkhobor