০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে পেটালেন, কথিত যুবদল নেতা

Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / ১৫৪ Time View

পরশুরাম উত্তর বাজারের ব্যবসায়ী সুমনের অভিযোগ, পাওনা টাকা চাওয়াতে দক্ষিণ কোলাপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সায়েম ও তার ভাতিজা ফয়সালসহ কয়েকজন তাকে বেধড়ক মারধর করেন। তবে পরশুরাম পৌর যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার আগেই সায়েমকে তার পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ব্যবসায়ী সুমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। ৫ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, সায়েম ও তার ভাতিজা ফয়সালসহ কয়েকজন ওই ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মারধর করছেন। একপর্যায়ে মারতে মারতে তার গায়ের পোশাক খুলে নিয়েছেন। তারপরও তারা ক্ষান্ত হচ্ছেন না। বার বার টেনে-হিঁচড়ে সুমনকে দোকান থেকে বের করার চেষ্টা করছেন। একপর্যায়ে পা ধরে মাপ চাইতেও বাধ্য করতে দেখা যায়। এরপরেও ওই ব্যবসায়ীকে পরে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যেতে দেখা যায় তাদের।
ভুক্তভোগী সুমন হোসেন জানান, বর্তমানে তিনি পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
এদিকে ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় সম্পৃক্ত মো. সায়েমকে গত ২৫ জুন যুবদলের ওয়ার্ড সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে পরশুরাম পৌর যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
পরশুরাম পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিছফাকুছ ছামাদ রনি ও যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আবছার চৌধুরী কমল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফেনী জেলা যুবদলের নির্দেশক্রমে পরশুরাম পৌর যুবদলের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক মো. সায়েমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. সায়েমের মুঠোফোনে বার বার কল দিয়ে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরশুরাম পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সায়েমকে ১৭ দিন আগেই দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে পেটালেন, কথিত যুবদল নেতা

Update Time : ০৩:৪২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

পরশুরাম উত্তর বাজারের ব্যবসায়ী সুমনের অভিযোগ, পাওনা টাকা চাওয়াতে দক্ষিণ কোলাপাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. সায়েম ও তার ভাতিজা ফয়সালসহ কয়েকজন তাকে বেধড়ক মারধর করেন। তবে পরশুরাম পৌর যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার আগেই সায়েমকে তার পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে ব্যবসায়ী সুমনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। ৫ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, সায়েম ও তার ভাতিজা ফয়সালসহ কয়েকজন ওই ব্যবসায়ীকে বেধড়ক মারধর করছেন। একপর্যায়ে মারতে মারতে তার গায়ের পোশাক খুলে নিয়েছেন। তারপরও তারা ক্ষান্ত হচ্ছেন না। বার বার টেনে-হিঁচড়ে সুমনকে দোকান থেকে বের করার চেষ্টা করছেন। একপর্যায়ে পা ধরে মাপ চাইতেও বাধ্য করতে দেখা যায়। এরপরেও ওই ব্যবসায়ীকে পরে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যেতে দেখা যায় তাদের।
ভুক্তভোগী সুমন হোসেন জানান, বর্তমানে তিনি পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
এদিকে ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় সম্পৃক্ত মো. সায়েমকে গত ২৫ জুন যুবদলের ওয়ার্ড সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে পরশুরাম পৌর যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
পরশুরাম পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিছফাকুছ ছামাদ রনি ও যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আবছার চৌধুরী কমল স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফেনী জেলা যুবদলের নির্দেশক্রমে পরশুরাম পৌর যুবদলের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আহ্বায়ক মো. সায়েমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. সায়েমের মুঠোফোনে বার বার কল দিয়ে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরশুরাম পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা খোকন বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সায়েমকে ১৭ দিন আগেই দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’