তালায় একই দিনে দুই বাল্যবিবাহ : জরিমানা ও মুচলেকা আদায়
- Update Time : ১২:০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
- / ২৮ Time View

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় একই দিনে দু’টি বাল্যবিবাহের ঘটনা বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বাল্যবিবাহ আয়োজনের দায়ে এক কনের বাবাকে আর্থিক জরিমানা এবং উভয় পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার খলিষখালী ও মাগুরা ইউনিয়নে পৃথক এ অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খলিষখালী ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামে এক নাবালিকা মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তালা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিবাহটি বন্ধ করেন। এ সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে কনের বাবা আবুল হোসেনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন। পাশাপাশি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে একটি লিখিত মুচলেকা প্রদান করেন।
অপরদিকে, একই দিনে উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের চাঁদকাটী গ্রামে অপর এক অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীর বাল্যবিবাহের সংবাদ পেয়ে সেখানেও অভিযান চালায় প্রশাসন। উক্ত বিবাহটি বন্ধ করে দিয়ে কনের পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা গ্রহণ করা হয় এবং মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানের নির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরা জেলার ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ও তালা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার।
তিনি জানান, বাল্যবিবাহের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধি—মাগুরা ইউনিয়নের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার সরদার নাজমুল হোসেন, নগরঘাটা ইউনিয়নের আবৃত্তি শিক্ষক আসাদুল ইসলাম, ভিডব্লিউবি কর্মসূচির ট্রেইনার সজীব হোসেন, সংগীত শিক্ষক সুদেব দেবনাথ, ধ্রুব সরকারসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিবাহ বন্ধের পদক্ষেপ নেন। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।



















