১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাড়াইলে হাফেজ শাহীনের উপর দুর্বৃত্তদের হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ।

মো ওমর খান সানি
  • Update Time : ০৮:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / ২০৩ Time View

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে পিতার সাথে ঝগড়ার সূত্রে ছেলে হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের (১৭) উপর একদল দূর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে এলোপাতাড়ি ঝখম করেছে।

এবিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার শাহীন আলমের পিতা শাহাবুদ্দীন চারজনের নাম উল্লেখ করে তাড়াইল থানায় একটি লিখিত একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামের চান্দু মিয়া, আসিফ মিয়া, অংকুর মিয়া ও আজিজুল মিয়া।

তাড়াইল থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, শুক্রবার (৪জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টায় উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের নিরঞ্জনের বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর চান্দু মিয়ার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। শাহাবুদ্দীন আরও উল্লেখ করেন, বিবাদী চান্দু মিয়া, আসিফ মিয়া, অংকুর মিয়া ও আজিজুল মিয়া তার পাশের গ্রামের বাসিন্দা। তারা উচ্ছৃংখল এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। তার সাথে হাসঁ নিয়ে ঝগড়া চলছে বহুদিন ধরে। এরই জেরে তারা আমার ছেলে শাহীন আলমের উপর দেশীয় অস্ত্র লোহার রড়,
বাঁশের লাঠি দিয়া এলোপাথারী বাইরাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া এসে তাকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল রেফার্ড করে।

হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের পিতা শাহাবুদ্দীন বলেন, চান্দু মিয়া এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার ভয়ে কেউ মুখ খোলেনা। আমার সাথে তার হাঁস সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বহুদিন ধরে। তারই সূত্র ধরে আমার ছেলে শাহীনকে হত্যার উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে তার উপর অতর্কিত হামলায় চালায়। আমি তাড়াইল থানায় এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

তাড়াইল থানা (ভারপ্রাপ্ত) পুলিশ কর্মকর্তা সাব্বির রহমান বলেন, পিতার সাথে ঝগড়ার সূত্রে ছেলে হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের উপর তালজাঙ্গা ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামের চান্দু মিয়া, আসিফ মিয়া, অংকুর মিয়া ও আজিজুল মিয়া দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে এলোপাতাড়ি ঝখম করেছে। এবিষয়ে ছেলের পিতা শাহাবুদ্দীন একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

তাড়াইলে হাফেজ শাহীনের উপর দুর্বৃত্তদের হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ।

Update Time : ০৮:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে পিতার সাথে ঝগড়ার সূত্রে ছেলে হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের (১৭) উপর একদল দূর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে এলোপাতাড়ি ঝখম করেছে।

এবিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার শাহীন আলমের পিতা শাহাবুদ্দীন চারজনের নাম উল্লেখ করে তাড়াইল থানায় একটি লিখিত একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামের চান্দু মিয়া, আসিফ মিয়া, অংকুর মিয়া ও আজিজুল মিয়া।

তাড়াইল থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, শুক্রবার (৪জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টায় উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের নিরঞ্জনের বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর চান্দু মিয়ার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। শাহাবুদ্দীন আরও উল্লেখ করেন, বিবাদী চান্দু মিয়া, আসিফ মিয়া, অংকুর মিয়া ও আজিজুল মিয়া তার পাশের গ্রামের বাসিন্দা। তারা উচ্ছৃংখল এবং খারাপ প্রকৃতির লোক। তার সাথে হাসঁ নিয়ে ঝগড়া চলছে বহুদিন ধরে। এরই জেরে তারা আমার ছেলে শাহীন আলমের উপর দেশীয় অস্ত্র লোহার রড়,
বাঁশের লাঠি দিয়া এলোপাথারী বাইরাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া এসে তাকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল রেফার্ড করে।

হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের পিতা শাহাবুদ্দীন বলেন, চান্দু মিয়া এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার ভয়ে কেউ মুখ খোলেনা। আমার সাথে তার হাঁস সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বহুদিন ধরে। তারই সূত্র ধরে আমার ছেলে শাহীনকে হত্যার উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে তার উপর অতর্কিত হামলায় চালায়। আমি তাড়াইল থানায় এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি এর সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

তাড়াইল থানা (ভারপ্রাপ্ত) পুলিশ কর্মকর্তা সাব্বির রহমান বলেন, পিতার সাথে ঝগড়ার সূত্রে ছেলে হাফেজ মাওলানা শাহীন আলমের উপর তালজাঙ্গা ইউনিয়নের লাখপুর গ্রামের চান্দু মিয়া, আসিফ মিয়া, অংকুর মিয়া ও আজিজুল মিয়া দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে এলোপাতাড়ি ঝখম করেছে। এবিষয়ে ছেলের পিতা শাহাবুদ্দীন একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।