০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তালায় ঈদগাহের প্রাচীর নির্মাণে সরকারি রাস্তা বাধাগ্রস্তের অভিযোগ

শাহিনুর ইসলামঃ বিশেষ প্রতিনিধি:
  • Update Time : ০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ২১ Time View

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ফলেয়া চাঁদকাটি পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি ঈদগাহের প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সরকারি রাস্তা দখল ও জনসাধারণের চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডা. নাজমুল হুদা ঈদগাহের জন্য ২ শতক এবং মসজিদের জন্য ৫ শতক জমি দান করেন। ঈদগাহের পশ্চিম পাশ দিয়ে একটি সরকারি রাস্তা রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ঈদগাহের প্রাচীর নির্মাণের ফলে ওই রাস্তার একটি অংশ সংকুচিত হয়ে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
ফলেয়া গ্রামের ডা. নাজমুল হুদার স্ত্রী ফাতেমা বেগম এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয়দের দাবি, মহসিন গাজী, মতিয়ার মোড়ল, আহাদ আলী সরদার ও সাঈদ সরদারের নেতৃত্বে সরকারি রাস্তাটিকে ঈদগাহের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে নায়েব অফিসে একাধিক অভিযোগও করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দফা জমি মাপজোক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
সর্বশেষ ২৫ জুলাই সরকারি আমিন এবং স্থানীয় আমিন আজিজ ও শওকতের উপস্থিতিতে যৌথভাবে জমি মাপজোক করা হয়। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি আমিন রাস্তাটি সরকারি সম্পত্তি বলে উল্লেখ করেন এবং সেখানে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলে মত দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এটি জনসাধারণের চলাচলের সরকারি রাস্তা। এ ধরনের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে খলিষখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মদ আবু হেলাল বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করব। তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দেবেন।”

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

তালায় ঈদগাহের প্রাচীর নির্মাণে সরকারি রাস্তা বাধাগ্রস্তের অভিযোগ

Update Time : ০৬:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ফলেয়া চাঁদকাটি পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি ঈদগাহের প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সরকারি রাস্তা দখল ও জনসাধারণের চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডা. নাজমুল হুদা ঈদগাহের জন্য ২ শতক এবং মসজিদের জন্য ৫ শতক জমি দান করেন। ঈদগাহের পশ্চিম পাশ দিয়ে একটি সরকারি রাস্তা রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ঈদগাহের প্রাচীর নির্মাণের ফলে ওই রাস্তার একটি অংশ সংকুচিত হয়ে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
ফলেয়া গ্রামের ডা. নাজমুল হুদার স্ত্রী ফাতেমা বেগম এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয়দের দাবি, মহসিন গাজী, মতিয়ার মোড়ল, আহাদ আলী সরদার ও সাঈদ সরদারের নেতৃত্বে সরকারি রাস্তাটিকে ঈদগাহের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে নায়েব অফিসে একাধিক অভিযোগও করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দফা জমি মাপজোক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।
সর্বশেষ ২৫ জুলাই সরকারি আমিন এবং স্থানীয় আমিন আজিজ ও শওকতের উপস্থিতিতে যৌথভাবে জমি মাপজোক করা হয়। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি আমিন রাস্তাটি সরকারি সম্পত্তি বলে উল্লেখ করেন এবং সেখানে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলে মত দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এটি জনসাধারণের চলাচলের সরকারি রাস্তা। এ ধরনের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে খলিষখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা গাজী মোহাম্মদ আবু হেলাল বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করব। তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দেবেন।”