১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইন উপেক্ষা করে নদীর পাড়ে তামাক চাষ, নিরব প্রশাসন

আজিজুল হাকিম
  • Update Time : ১০:০১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮ Time View

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ৩নং ফাসিয়াখালি ইউনিয়নে নদীর পাড় ঘেঁষে ব্যাপকভাবে তামাক চাষ করা হচ্ছে, যা সরকারি নির্দেশনা ও পরিবেশ সংরক্ষণ নীতিমালার পরিপন্থী বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নদী থেকে ৫০ ফুটের মধ্যে কোনো ফসল বিশেষ করে তামাক চাষ করা নিষিদ্ধ থাকলেও এক শ্রেণির কৃষক তা মানছেন না।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর একেবারে পাড় ঘেঁষে সারিবদ্ধভাবে তামাক ক্ষেত তৈরি করা হয়েছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মাটি ও পানি দূষণের আশঙ্কা বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, তামাক চাষে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, যা সরাসরি নদীর পানিতে মিশে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নজরদারির অভাবে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হয়ে নদীর কাছাকাছি এলাকায় তামাক চাষ সম্প্রসারণ করছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এলাকাবাসী দ্রুত নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে অবৈধ তামাক চাষ বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি কৃষকদের বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কৃষি বিভাগের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছেন সচেতন মহল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

আইন উপেক্ষা করে নদীর পাড়ে তামাক চাষ, নিরব প্রশাসন

Update Time : ১০:০১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ৩নং ফাসিয়াখালি ইউনিয়নে নদীর পাড় ঘেঁষে ব্যাপকভাবে তামাক চাষ করা হচ্ছে, যা সরকারি নির্দেশনা ও পরিবেশ সংরক্ষণ নীতিমালার পরিপন্থী বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নদী থেকে ৫০ ফুটের মধ্যে কোনো ফসল বিশেষ করে তামাক চাষ করা নিষিদ্ধ থাকলেও এক শ্রেণির কৃষক তা মানছেন না।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর একেবারে পাড় ঘেঁষে সারিবদ্ধভাবে তামাক ক্ষেত তৈরি করা হয়েছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মাটি ও পানি দূষণের আশঙ্কা বাড়ছে। স্থানীয়রা বলছেন, তামাক চাষে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, যা সরাসরি নদীর পানিতে মিশে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নজরদারির অভাবে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হয়ে নদীর কাছাকাছি এলাকায় তামাক চাষ সম্প্রসারণ করছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এলাকাবাসী দ্রুত নদী রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে অবৈধ তামাক চাষ বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি কৃষকদের বিকল্প ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করার জন্য কৃষি বিভাগের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছেন সচেতন মহল।