০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে মাদকসেবী স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড, ডোপ টেস্টে শনাক্তের পর ৮ মাসের সাজা

রিপোর্টার মোঃ তরিকুল ইসলাম
  • Update Time : ০১:০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১১ Time View

ঝিনাইদহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদকসেবী স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে ডোপ টেস্টে মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর আদালত তাদের প্রত্যেককে ৮ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ঝিনাইদহ শহরের কালিকাপুর এলাকার মীর নাজমুল হকের ছেলে মীর আমিনুল ইসলাম বাবু ও তার স্ত্রী মারিয়া।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর ডোপ টেস্ট করা হলে উভয়ের মাদক সেবনের বিষয়টি শনাক্ত হয়।
পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আদালত প্রত্যেককে ৮ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
ডিবি পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ঝিনাইদহে মাদকসেবী স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড, ডোপ টেস্টে শনাক্তের পর ৮ মাসের সাজা

Update Time : ০১:০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদকসেবী স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে ডোপ টেস্টে মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত হওয়ার পর আদালত তাদের প্রত্যেককে ৮ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—ঝিনাইদহ শহরের কালিকাপুর এলাকার মীর নাজমুল হকের ছেলে মীর আমিনুল ইসলাম বাবু ও তার স্ত্রী মারিয়া।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়। আটকের পর ডোপ টেস্ট করা হলে উভয়ের মাদক সেবনের বিষয়টি শনাক্ত হয়।
পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আদালত প্রত্যেককে ৮ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
ডিবি পুলিশ জানায়, দণ্ডপ্রাপ্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।