ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি ও যৌথ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই: ইউএও সবিতা সরকার
- Update Time : ০৫:০১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৬ Time View

শাহিনুর ইসলামঃ বিশেষ প্রতিনিধি।
ডুমুরিয়া উপজেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল, ইভটিজিং রোধ এবং চুরি-ডাকাতিসহ সামাজিক অপরাধ দমনে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার।
সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা ও সুধীজন উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারে নিজ নিজ দপ্তরের কর্মপরিকল্পনা এবং মতামত তুলে ধরেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস, ডুমুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আশরাফুল কবির, ডুমুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) প্রকাশ, উপজেলা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম মানিক,ডুমুরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান, ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রাণী,ডুমুরিয়া উপজেলা ইন্সপেক্টর মোঃ মোসলেম আলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী শাহাঙ্গীর আলম,সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুর রহমান এবং ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য সরোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন,জহুরুল হক, হুমায়ুন কবির বুলু, হেলাল উদ্দিন, মোঃ শফিকুল ইসলাম,
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সবিতা সরকার বলেন ডুমুরিয়া একটি সম্ভাবনাময় ও বিস্তীর্ণ এলাকা। এখানকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত স্থিতিশীল ও সন্তোষজনক। তবে একটি বড় উপজেলার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে খামার এলাকা, মৎস্য জোন এবং কৃষিপ্রধান অঞ্চল হওয়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা সুসংহত রাখাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আজকের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আমরা উপজেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের কর্মকর্তাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
মিজ সবিতা সরকার বলেন মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিষয়ে একেবারেই স্পষ্ট—‘জিরো টলারেন্স’। কোনো অপরাধীকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা প্রশাসনিক নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করেছি। এছাড়া প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও কৃষি খাতসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে যুবসমাজকে ইতিবাচক কাজে যুক্ত রাখার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় সমাজসেবা কার্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাথে নিয়ে সচেতনতামূলক কাজ অব্যাহত রয়েছে।
মিজ সবিতা সরকার আরো বলেন জনগণের নিরাপত্তা এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান কাজ। পুলিশ বিভাগ, ভূমি অফিস ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করছি। সংবাদমাধ্যমও এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে। সাংবাদিক ভাইদের সাথে আলোচনা হয়েছে যাতে যেকোনো অপরাধমূলক তথ্য দ্রুত প্রশাসনের কাছে পৌঁছায়। জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে একটি শক্তিশালী বিশ্বাস ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ডুমুরিয়াকে একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও শান্তিময় উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।



















