০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশাশুনির উত্তর পুঁইজালা-লক্ষিখালী জিপিএস সড়ক পাকাকরণের জোর দাবি

শাহিনুর ইসলাম।। বিশেষ প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : ১০:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / ২৬ Time View

আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের উত্তর পুঁইজালা বাজার থেকে লক্ষিখালী কালিমন্দির হয়ে লক্ষিখালী জিপিএস পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন সড়কটি বর্ষা মৌসুমে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,রোড আইডি-২৮৭০৪৪২৪৬- এর আওতাভুক্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় একাকার হয়ে যায় পুরো সড়ক। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী,কৃষক, ব্যবসায়ী,চাকরিজীবী ও রোগী পরিবহনে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে পাকাকরণের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সড়কটির পাশে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,মসজিদ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। এলাকাবাসীর মতে,সড়কটি পাকাকরণ হলে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন হবে,কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় শিক্ষক বিদ্যুৎ মণ্ডল বলেন,“বর্ষা এলেই সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণ প্রয়োজন।”
২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, “এটি ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়ক। দীর্ঘদিনের জনদাবি বিবেচনায় দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু করা উচিত।”
শ্রীউলা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা লুৎফর রহমান বলেন,“এটি ইউনিয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে জনস্বার্থে দ্রুত পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”
শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক দীপঙ্কর বাছাড় দীপু বলেন,“সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনায় এটি পাকাকরণের দাবি যৌক্তিক। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।”
এলাকাবাসী সড়কটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাকাকরণের জন্য সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

আশাশুনির উত্তর পুঁইজালা-লক্ষিখালী জিপিএস সড়ক পাকাকরণের জোর দাবি

Update Time : ১০:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের উত্তর পুঁইজালা বাজার থেকে লক্ষিখালী কালিমন্দির হয়ে লক্ষিখালী জিপিএস পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন সড়কটি বর্ষা মৌসুমে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,রোড আইডি-২৮৭০৪৪২৪৬- এর আওতাভুক্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় একাকার হয়ে যায় পুরো সড়ক। ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী,কৃষক, ব্যবসায়ী,চাকরিজীবী ও রোগী পরিবহনে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে পাকাকরণের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সড়কটির পাশে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,মসজিদ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। এলাকাবাসীর মতে,সড়কটি পাকাকরণ হলে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন হবে,কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় শিক্ষক বিদ্যুৎ মণ্ডল বলেন,“বর্ষা এলেই সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণ প্রয়োজন।”
২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, “এটি ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়ক। দীর্ঘদিনের জনদাবি বিবেচনায় দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু করা উচিত।”
শ্রীউলা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা লুৎফর রহমান বলেন,“এটি ইউনিয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে জনস্বার্থে দ্রুত পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”
শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক দীপঙ্কর বাছাড় দীপু বলেন,“সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনায় এটি পাকাকরণের দাবি যৌক্তিক। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।”
এলাকাবাসী সড়কটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাকাকরণের জন্য সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##