কেশবপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালিত উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
- Update Time : ১১:৫২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
- / ১৭ Time View

যশোরের কেশবপুরে ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সুধীজন অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁদের আত্মদান গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। শহিদদের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রেকসোনা খাতুন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জুলাই শহিদরা ন্যায় ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের অগ্রসৈনিক। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য এক অমূল্য সম্পদ। তাঁদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং শহিদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহিদরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি বলেন, “শহিদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না। তাঁদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের আমির জাকির হোসেন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী ও জুলাই যোদ্ধা সম্রাট হোসেন, মিরাজ হোসেন বিশ্বাস, তাহমিদ আহসান মিশাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।



















