০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্মতারিখ ও নাম সংশোধন সহজ করল ইসি: মাঠপর্যায়েই মিলবে দ্রুত সমাধান

Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ২০ Time View

এনআইডি সংশোধন আরও সহজ: জেএসসি-এসএসসি সনদে জন্মতারিখ পাল্টাবে মাঠপর্যায়েই
​জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার আইডি কার্ডে জন্মতারিখ ও তথ্য সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করতে নতুন পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়। এর ফলে এখন থেকে সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি ও অপেক্ষার সময় অনেকাংশেই কমে আসবে।
​মূল বিষয়সমূহ একনজরে
​‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত আবেদন: অনলাইনে যাচাইযোগ্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), মাধ্যমিক (এসএসসি) বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলোকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত করা হয়েছে।
​যেসব কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন: মাঠপর্যায়ের উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকরা এসব আবেদন সরাসরি নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
​সিএমএস (CMS) নোট বাধ্যতামূলক: আবেদন ইলেকট্রনিকালি অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে সিএমএস-এ আবশ্যিকভাবে নোট যুক্ত করতে হবে।
​নিয়মিত মনিটরিং: আঞ্চলিক ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করবেন। প্রতি মাসে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রত্যেক কর্মকর্তার কমপক্ষে তিনটি নিষ্পত্তি করা আবেদন যাচাই করে পরিচালক (অপারেশনস)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।
​যেসব আবেদন ডিজি (DG) পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে
​উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন।
​জন্মতারিখসহ নিজের নাম, বাবা ও মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনসংক্রান্ত আবেদন।
​বিশেষ নির্দেশনা: জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং বাবা-মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার কোনো সংশোধন করা যাবে না বলে পরিপত্রে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

জন্মতারিখ ও নাম সংশোধন সহজ করল ইসি: মাঠপর্যায়েই মিলবে দ্রুত সমাধান

Update Time : ১২:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

এনআইডি সংশোধন আরও সহজ: জেএসসি-এসএসসি সনদে জন্মতারিখ পাল্টাবে মাঠপর্যায়েই
​জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার আইডি কার্ডে জন্মতারিখ ও তথ্য সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করতে নতুন পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়। এর ফলে এখন থেকে সাধারণ নাগরিকদের ভোগান্তি ও অপেক্ষার সময় অনেকাংশেই কমে আসবে।
​মূল বিষয়সমূহ একনজরে
​‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত আবেদন: অনলাইনে যাচাইযোগ্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), মাধ্যমিক (এসএসসি) বা সমমানের শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলোকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত করা হয়েছে।
​যেসব কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করতে পারবেন: মাঠপর্যায়ের উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালকরা এসব আবেদন সরাসরি নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
​সিএমএস (CMS) নোট বাধ্যতামূলক: আবেদন ইলেকট্রনিকালি অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে সিএমএস-এ আবশ্যিকভাবে নোট যুক্ত করতে হবে।
​নিয়মিত মনিটরিং: আঞ্চলিক ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করবেন। প্রতি মাসে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রত্যেক কর্মকর্তার কমপক্ষে তিনটি নিষ্পত্তি করা আবেদন যাচাই করে পরিচালক (অপারেশনস)-এর ইন্টারনাল অ্যাকাউন্টে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।
​যেসব আবেদন ডিজি (DG) পর্যায়ে নিষ্পত্তি হবে
​উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন।
​জন্মতারিখসহ নিজের নাম, বাবা ও মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনসংক্রান্ত আবেদন।
​বিশেষ নির্দেশনা: জন্মতারিখ, নিজের নাম এবং বাবা-মায়ের নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার কোনো সংশোধন করা যাবে না বলে পরিপত্রে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।