চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় একদিনে গ্রেপ্তার ১ হাজার ৯৮ জন
- প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / 46

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে কিশোর গ্যাং-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ৫৪২ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পরিচালিত বিশেষ অভিযানের ২৪ ঘণ্টার ফলাফল শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রকাশ করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৮০ জন, আগের মামলায় ৬৬ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৬১ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৪৮ জন রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলার পরোয়ানায় ১৮৫ জন, সাজা পরোয়ানায় ৩৪ জন, মাদক সেবনের অভিযোগে ৭৬ জন এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও ১২৬ জনকে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের আওতাধীন ১১টি জেলা হলো—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বান্দরবান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি।
এদিকে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪২ জনের মধ্যে ৩৩৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ২২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯৫, লক্ষ্মীপুরে ৫২, চাঁদপুরে ৩২, নোয়াখালীতে ৩১, কক্সবাজারে ২৮, বান্দরবানে ২১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৭, ফেনীতে ১৬, রাঙামাটিতে ১৬ এবং খাগড়াছড়িতে আটজনকে আটক করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৪টি মামলা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩২ জনকে কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানে ৩৮ হাজার ১৩৭টি ইয়াবা বড়ি, ২৭ কেজি ৩৬০ গ্রাম গাঁজা, ১০ লিটার চোলাই মদ ও ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে সাতজন, কক্সবাজারে দুজন, কুমিল্লায় নয়জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, চাঁদপুরে সাতজন এবং নোয়াখালীতে আটজন রয়েছেন।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
























