সমবায়ের শক্তিতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ—এই হোক আগামীর অঙ্গীকার
- প্রকাশের সময় : ১২:০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 60

দিঘলিয়া উপজেলা সমবায় বিভাগের আওতাধীন বন্ধুজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
দৌলতপুর থানা প্রতিনিধি:
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬ অনুযায়ী সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক প্রণীত বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দিঘলিয়া উপজেলা সমবায় বিভাগের আওতাধীন বন্ধুজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি.-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ পালন করা হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।
আলী ভবন (৩য় তলা), দৌলতপুর, খুলনা এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সমিতির সহ-সভাপতি মুন্নি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, সুরঞ্জন কুমার মন্ডল, লিটন কুমার, নাসরিন বেগম, তানিয়া, তন্দ্রা, মাবিয়াসহ সমিতির সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অতিথি বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
সহ-সভাপতি মুন্নি আক্তারের বক্তব্য
সমিতির সহ-সভাপতি মুন্নি আক্তার বলেন, “বৃক্ষ শুধু আমাদের অক্সিজেন দেয় না, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমবায় সংগঠনগুলো শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নে নয়, সামাজিক ও পরিবেশগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বৃক্ষরোপণকে আমাদের নিয়মিত সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে এগিয়ে নিতে হবে।”
সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের বক্তব্য
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “সমবায় মানে শুধু সঞ্চয়, ঋণ কিংবা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নয়—সমবায় হচ্ছে মানুষের সম্মিলিত শক্তি। সেই সম্মিলিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারি, তেমনি পরিবেশ রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারি। একটি গাছ আজ রোপণ করলে তার সুফল শুধু আমরা নয়, আমাদের সন্তান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভোগ করবে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকারের বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমবায় সমিতিগুলোকে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। প্রত্যেক সমবায়ী যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেন, তাহলে আমাদের সমাজ দ্রুত সবুজ ও পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে। আজকের এই কর্মসূচি শুধু গাছ লাগানোর কর্মসূচি নয়; এটি একটি সবুজ, সুন্দর ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের অঙ্গীকার।”
কর্মসূচিতে বক্তারা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান, রাস্তার পাশে ও খালি জায়গায় বেশি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
সবার সম্মিলিত অঙ্গীকার—“সমবায়ের শক্তিতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ—এই হোক আগামীর অঙ্গীকার।”




















