হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নেপালে নিহত ১৫৭, ৩৪০ পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪ শতাধিক
- Update Time : ০৯:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
নেপাল-চীন সীমান্তের হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ১৫৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় এখনো চার শতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে প্রায় ৩৪০ জনই বিদেশি পর্যটক। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার পাহাড়ি নদীতে কাদা ও পাথরের বিশাল স্তূপ ধসে পড়ার পর সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালের নুয়াকোট, ধাদিং ও রাসুয়া জেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পানির তোড়ে ঘরবাড়ি, সড়ক, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং পুরো গ্রামের বিস্তীর্ণ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বন্যার প্রবল স্রোতে মানুষ ও যানবাহন ভেসে যেতে দেখা যায়।
ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার তৎপরতা
নিখোঁজ বিদেশি পর্যটক: নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৩৪০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। দুর্গম এই অঞ্চলটি ট্রেকার ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। নিখোঁজদের সন্ধানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানে প্রতিবন্ধকতা: দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হেলিকপ্টার ও আধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন এবং সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকারীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে মারাত্মক বেগ পেতে হচ্ছে।
চীনের তিব্বতেও আঘাত: একই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে চীনের তিব্বত সীমান্তেও। গিরং সীমান্ত বন্দরে ভূমিধসে ৩ জনের মৃত্যু এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হিমবাহ ধসের ফলে নদীতে বিপুল পরিমাণ কাদা ও পাথর আছড়ে পড়ে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি জটিল থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।





















