০১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরীকে ৩ জোনে ভাগ করে মশক নিধনের সিদ্ধান্ত: কেসিসির ক্রাশ প্রোগ্রামে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু

রিপোর্টার শাহিনুর ইসলাম
  • Update Time : ১১:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১২ Time View

খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’-এর অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সভাপতিত্বে এ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের হারের ওপর ভিত্তি করে পুরো এলাকাকে রেড, অরেঞ্জ ও ইয়েলো—এই তিন জোনে বিভক্ত করে ব্যাপকহারে মশক নিধন ঔষধ স্প্রে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সভায় যেসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় : সকল সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য আনুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণের সিদ্ধান্ত হয়।খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় সরকারি হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান সংকট নিরসনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জোরদার প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি স্বল্প আয়ের মানুষের সুবিধার্থে তাদের আবাসস্থলের নিকটবর্তী স্থানে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তাছাড়া, মশক নিধন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মাঠপর্যায়ে তদারকি কঠোর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত সুপারভাইজারদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীরা মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। তদারকিতে কোনো প্রকার অবহেলা বা গাফিলতি পাওয়া গেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানোর নির্দেশ দেন কেসিসি প্রশাসক।
উক্ত পর্যালোচনা সভায় কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস ও শেখ মো: মাসুদ করিম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরানসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

খুলনায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরীকে ৩ জোনে ভাগ করে মশক নিধনের সিদ্ধান্ত: কেসিসির ক্রাশ প্রোগ্রামে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু

Update Time : ১১:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

খুলনা মহানগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’-এর অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সভাপতিত্বে এ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নগরীতে ডেঙ্গু সংক্রমণের হারের ওপর ভিত্তি করে পুরো এলাকাকে রেড, অরেঞ্জ ও ইয়েলো—এই তিন জোনে বিভক্ত করে ব্যাপকহারে মশক নিধন ঔষধ স্প্রে করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সভায় যেসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় : সকল সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য আনুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণের সিদ্ধান্ত হয়।খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় সরকারি হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান সংকট নিরসনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জোরদার প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি স্বল্প আয়ের মানুষের সুবিধার্থে তাদের আবাসস্থলের নিকটবর্তী স্থানে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তাছাড়া, মশক নিধন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মাঠপর্যায়ে তদারকি কঠোর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত সুপারভাইজারদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীরা মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। তদারকিতে কোনো প্রকার অবহেলা বা গাফিলতি পাওয়া গেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানোর নির্দেশ দেন কেসিসি প্রশাসক।
উক্ত পর্যালোচনা সভায় কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস ও শেখ মো: মাসুদ করিম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরানসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।