১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে ‘বাবা’ সম্বোধন করা খালুর বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রী ভাগনিকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ: আটক ১

রিপোর্টার মোঃ খাইরুল বাশার
  • Update Time : ১২:১৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১২ Time View

গাজীপুরে পারিবারিক বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ১৫ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রী ভাগনিকে ফুসলিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে খালুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
​ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত এবং খালার বাড়িতে থেকেই পড়ালেখা চালিয়ে আসছিল। খালার পরিবারকে নিজের পরিবার ভেবে সে খালাকে ‘মা’ এবং খালুকে ‘বাবা’ বলেই ডাকত। তবে সেই পারিবারিক স্নেহের আড়ালে খালু দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরির চেষ্টা করে আসছিল বলে জানা যায়।
​অভিযোগ অনুযায়ী, কিছুদিন আগে বাবার সঙ্গে মনোমালিন্য ও মারধরের শিকার হয়ে কিশোরীটি আবারও খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এই সুযোগে খালু তাকে ফুসলিয়ে অন্যত্র নিয়ে যান এবং তথাকথিত ‘মৌখিক বিয়ে’র কথা বলে টানা ১০ দিন আটকে রেখে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
​উদ্ধার ও মামলা
মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে একপর্যায়ে জানা যায়, সে তার খালুর সঙ্গেই অবস্থান করছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত খালুকে আটক করে মারধর শেষে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
​নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের দায়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাটির আইনি তদন্ত শুরু করেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

গাজীপুরে ‘বাবা’ সম্বোধন করা খালুর বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রী ভাগনিকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ: আটক ১

Update Time : ১২:১৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরে পারিবারিক বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ১৫ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রী ভাগনিকে ফুসলিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে খালুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
​ঘটনার বিবরণ
ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত এবং খালার বাড়িতে থেকেই পড়ালেখা চালিয়ে আসছিল। খালার পরিবারকে নিজের পরিবার ভেবে সে খালাকে ‘মা’ এবং খালুকে ‘বাবা’ বলেই ডাকত। তবে সেই পারিবারিক স্নেহের আড়ালে খালু দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরির চেষ্টা করে আসছিল বলে জানা যায়।
​অভিযোগ অনুযায়ী, কিছুদিন আগে বাবার সঙ্গে মনোমালিন্য ও মারধরের শিকার হয়ে কিশোরীটি আবারও খালার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এই সুযোগে খালু তাকে ফুসলিয়ে অন্যত্র নিয়ে যান এবং তথাকথিত ‘মৌখিক বিয়ে’র কথা বলে টানা ১০ দিন আটকে রেখে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
​উদ্ধার ও মামলা
মেয়েটি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে একপর্যায়ে জানা যায়, সে তার খালুর সঙ্গেই অবস্থান করছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত খালুকে আটক করে মারধর শেষে পুলিশে হস্তান্তর করেন।
​নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের দায়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাটির আইনি তদন্ত শুরু করেছে।