ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধুখালীতে গড়িদাহ নদীতে মোবাইল কোর্ট: দুই মণ চায়না জাল জব্দ ও ধ্বংস

মোঃ সোহেল রানা ​মধুখালী প্রতিনিধি:
মোঃ সোহেল রানা ​মধুখালী প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / 111

​ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের গড়িদাহ নদীর চারমাথায় মৎস্য আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।
​মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নদীতে অবৈধভাবে পাতিয়ে রাখা প্রায় দুই মণ ওজনের চায়না জাল এবং মাছ আটকে রাখার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব সরঞ্জাম পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
​অভিযানটি পরিচালনা করেন মধুখালী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহমুদুল হাসান, উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. শামীম পারভেজ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
​অভিযান শেষে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস জানান, বর্ষাকাল দেশীয় জাতের মাছ প্রজননের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় নদী, নালা, খাল ও বিলে মাছ ডিম ছাড়ে এবং হাজার হাজার পোনা জন্ম নেয়। এই সময়ে অবৈধ জাল ব্যবহার করলে মাছের প্রজননক্ষমতা মারত্মকভাবে কমে যায়, যা মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে। দেশীয় জাতের মাছ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মধুখালীতে গড়িদাহ নদীতে মোবাইল কোর্ট: দুই মণ চায়না জাল জব্দ ও ধ্বংস

প্রকাশের সময় : ০৯:২০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

​ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের গড়িদাহ নদীর চারমাথায় মৎস্য আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।
​মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নদীতে অবৈধভাবে পাতিয়ে রাখা প্রায় দুই মণ ওজনের চায়না জাল এবং মাছ আটকে রাখার বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব সরঞ্জাম পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
​অভিযানটি পরিচালনা করেন মধুখালী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহমুদুল হাসান, উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. শামীম পারভেজ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
​অভিযান শেষে সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পবিত্র কুমার দাস জানান, বর্ষাকাল দেশীয় জাতের মাছ প্রজননের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় নদী, নালা, খাল ও বিলে মাছ ডিম ছাড়ে এবং হাজার হাজার পোনা জন্ম নেয়। এই সময়ে অবৈধ জাল ব্যবহার করলে মাছের প্রজননক্ষমতা মারত্মকভাবে কমে যায়, যা মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে। দেশীয় জাতের মাছ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।