সরাইলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: নোয়াগাঁও ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রকৌশলী রিপন ঠাকুরের পক্ষে জনস্রোত
- Update Time : ০৭:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩৬ Time View

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”—এই নীতিকে পাথেয় করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গোৎসবে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সুসংগঠিত করতে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তাবোধ নিশ্চিত করতে ইউনিয়নের প্রতিটি পূজা মণ্ডপে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন সরাইল উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। আর এই পুরো উদ্যোগের মূলে এবং মূল আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের উদীয়মান জননেতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রকৌশলী মোঃ আহসানুল করিম ঠাকুর (রিপন)।
অনুসন্ধানী সূত্রে জানা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মোট ৭টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিদল। পরিদর্শনকালে মণ্ডপগুলোর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, পুজো উদযাপন কমিটির সুযোগ-সুবিধা এবং ভক্তদের নিরাপত্ত ব্যবস্থার ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা প্রশাসনিক সমস্যা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিটি পরিচালনা কমিটির সাথে সরাসরি কথা বলেন প্রকৌশলী রিপন ঠাকুর।
এই বিশেষ গণসংযোগ ও মণ্ডপ পরিদর্শনে রিপন ঠাকুরের সঙ্গে সশরীরে থেকে নেতৃত্ব দেন সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু। এ সময় উপজেলা ও নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ স্থানীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
পরিদর্শন শেষে সিনিয়র নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবেই সম্প্রীতির দেশ। প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করার অধিকার রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের সেই অধিকার রক্ষায় যেকোনো পরিস্থিতিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকাবাসীর পছন্দের শীর্ষে রিপন ঠাকুর:
এদিকে, দুর্গোৎসবে প্রতিটি মণ্ডপে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে সার্বিক নজরদারি রাখা এবং সাধারণ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘটনা নোয়াগাঁও ইউনিয়নে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মতামত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রকৌশলী আহসানুল করিম ঠাকুর রিপন একজন শিক্ষিত, নীতিবান, সৎ ও ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের যেকোনো দুর্যোগ, অন্যায়-অবিচার কিংবা দুস্থ মানুষের বিপদে তিনি যেভাবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তা তাঁকে ইতোমধ্যে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে।
নোয়াগাঁও ইউনিয়নের সাধারণ ভোটার ও প্রবীণদের সাথে কথা বললে তাঁরা বলেন, “আমাদের ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটাতে এবং যুবসমাজকে সঠিক পথে চালিত করতে একজন যোগ্য ও উচ্চশিক্ষিত নেতা প্রয়োজন। প্রকৌশলী রিপন ঠাকুর সেই যোগ্যতার সবচেয়ে সেরা দাবিদার। আমরা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁকে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের অভিভাবক ও চেয়ারম্যান পদে দেখতে চাই এবং সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়ে জয়ী করতে প্রস্তুত।”
স্থানীয় পূজা মণ্ডপ পরিচালনা কমিটি ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ বিএনপি নেতাদের এই আন্তরিক সহযোগিতামূলক পদক্ষেপে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেন, প্রকৌশলী রিপন ঠাকুরের মতো পরিচ্ছন্ন ইমেজের মানুষ পাশে থাকায় তাঁরা অত্যন্ত শান্তিতে উৎসব উদযাপন করতে পেরেছেন। এই ধরণের সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নোয়াগাঁও ইউনিয়নকে একটি আদর্শ আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।




















