তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ
- প্রকাশের সময় : ১১:০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- / 35

রিপাবলিক অব তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস (প্রজাতন্ত্র দিবস) উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ও জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
২৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত হোটেল শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. রমিস সেন এই বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার (সাবেক এমপি), সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ও জনাব মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর জনাব মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য জনাব আলী আহমাদ মাবরুর।
অনুষ্ঠানে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি উপস্থিত হয়ে রিপাবলিক অব তুরস্কের মহামান্য প্রেসিডেন্ট মি. রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে লেখা একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মি. রমিস সেনের কাছে হস্তান্তর করেন। ওই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুরস্কের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়।
তুরস্কের জাতীয় দিবসের এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রতিনিধি দল আশাবাদ ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে আগামী দিনে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, অংশীদারত্ব ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে জোরালো প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
























