ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের নতুন নীতি: সহিংস আন্দোলনে জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি

K. MRIMAN ISLAM
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 23

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রতিবাদ বা আন্দোলনে অংশ নিয়ে সহিংসতায় জড়ালে আর মিলবে না সরকারি চাকরি। ভারতের উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে এমনই কড়া বিধান রেখে নতুন নিয়োগ নীতি প্রবর্তন করেছে। এতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সহিংসতায় জড়িত প্রার্থীদের সরকারি চাকরির নিয়োগে নিষিদ্ধ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্যাবলি প্রকাশ করা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশ সরকারের এই নতুন নীতি অনুযায়ী, রাজ্যের সরকারি বিভাগ ছাড়াও করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চরিত্র যাচাই ও পুলিশি পরীক্ষার ক্ষেত্রে কঠোর শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।

গুরুতর অপরাধ ও তথ্য গোপনে কঠোর ব্যবস্থা:
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে— হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম ও সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত প্রার্থীরা কোনো অবস্থাতেই সরকারি চাকরির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। এছাড়া, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের নিজেদের ফৌজদারি অপরাধ সংক্রান্ত অতীত তথ্য প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রার্থী যদি ফৌজদারি মামলার তথ্য গোপন করেন, তবে পরবর্তীতে তাঁর নিয়োগ বাতিল করা হবে।

চরিত্র যাচাই ও বসবাসের ইতিহাস অনুসন্ধান:
নতুন নিয়ম অনুসারে, সাধারণ পদগুলোতে প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর পদগুলোর ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই ও পটভূমি পরীক্ষা (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাসও খতিয়ে দেখা হবে। প্রার্থীরা তাঁদের নিজস্ব জেলায় এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে যেসব জেলায় টানা এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলাতেই প্রয়োজনীয় পুলিশি যাচাইকরণ পরিচালনা করা হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রিপোর্টারের তথ্য
কে এম রিমান ইসলাম

কে এম রিমান ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ

সরকারের নতুন নীতি: সহিংস আন্দোলনে জড়ালে মিলবে না সরকারি চাকরি

প্রকাশের সময় : ০৭:৫০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রতিবাদ বা আন্দোলনে অংশ নিয়ে সহিংসতায় জড়ালে আর মিলবে না সরকারি চাকরি। ভারতের উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে এমনই কড়া বিধান রেখে নতুন নিয়োগ নীতি প্রবর্তন করেছে। এতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সহিংসতায় জড়িত প্রার্থীদের সরকারি চাকরির নিয়োগে নিষিদ্ধ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্যাবলি প্রকাশ করা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশ সরকারের এই নতুন নীতি অনুযায়ী, রাজ্যের সরকারি বিভাগ ছাড়াও করপোরেশন, কাউন্সিল, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সংস্থাগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে চরিত্র যাচাই ও পুলিশি পরীক্ষার ক্ষেত্রে কঠোর শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে।

গুরুতর অপরাধ ও তথ্য গোপনে কঠোর ব্যবস্থা:
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে— হত্যা, ধর্ষণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় অনিয়ম ও সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত প্রার্থীরা কোনো অবস্থাতেই সরকারি চাকরির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। এছাড়া, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রার্থীদের নিজেদের ফৌজদারি অপরাধ সংক্রান্ত অতীত তথ্য প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। কোনো প্রার্থী যদি ফৌজদারি মামলার তথ্য গোপন করেন, তবে পরবর্তীতে তাঁর নিয়োগ বাতিল করা হবে।

চরিত্র যাচাই ও বসবাসের ইতিহাস অনুসন্ধান:
নতুন নিয়ম অনুসারে, সাধারণ পদগুলোতে প্রার্থীদের চরিত্র যাচাই সম্পন্ন হওয়ার আগেই সাময়িক নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর পদগুলোর ক্ষেত্রে বিস্তারিত চরিত্র যাচাই ও পটভূমি পরীক্ষা (ব্যাকগ্রাউন্ড চেক) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের বসবাসের ইতিহাসও খতিয়ে দেখা হবে। প্রার্থীরা তাঁদের নিজস্ব জেলায় এবং গত পাঁচ বছরের মধ্যে যেসব জেলায় টানা এক বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করেছেন, সেসব জেলাতেই প্রয়োজনীয় পুলিশি যাচাইকরণ পরিচালনা করা হবে।