যশোরে এমএম কলেজ শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ শিক্ষা বোর্ড সচিবের অপসারণ ও ঘটনার তদন্ত দাবি শিক্ষার্থীদের
- প্রকাশের সময় : ০৩:৪৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
- / 110

যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কলেজটির সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়েছে যশোর জেলা ও এমএম কলেজ ছাত্রদল।
সোমবার সকালে কলেজের ‘চেতনায় চিরঞ্জীব’ ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষা বোর্ড সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রোববার সকালে সার্টিফিকেটে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের জন্য শিক্ষা বোর্ডের সচিব আব্দুল মতিনের কক্ষে যান এমএম কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সেজান। এ সময় তার গলায় হেডফোন দেখে সচিব তাকে গালাগাল করেন। একপর্যায়ে তাকে মুখে চড়-থাপ্পড় মারা হয় বলে অভিযোগ করেন সেজান।
জাহিদ হাসান সেজান বলেন, ‘বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের জন্য আমি শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কক্ষে গিয়েছিলাম। আমার গলায় একটি হেডফোন ছিল। সেটি দেখেই সচিব আমাকে গালাগাল করেন এবং মুখে চড় মারেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে কেন মারধর করা হলো, আমার অপরাধ কী—তা বুঝতে পারছি না। আমার কোনো গুরুতর অপরাধ হয়ে থাকলে পুলিশে দিতে পারতেন। এ ঘটনার জন্য আমি সচিবের পদত্যাগ দাবি করছি।’
বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে যশোর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, ‘একজন সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা কেন একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ করবেন, তা আমরা জানতে চাই। একটি ঠুনকো বিষয়কে কেন্দ্র করে একজন শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্রুত শিক্ষা বোর্ডের সচিবকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।




















