২৪ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা: নগরপাড়া সেতু নির্মাণ দ্রুত শেষের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী
- প্রকাশের সময় : ১০:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
- / 10

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত এবং দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে ঝুলে থাকা নগরপাড়া সেতু নির্মাণকাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে সর্বস্তরের জনগণ। বালু নদীর ওপর নির্মাণাধীন এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির সিন্ডিকেট ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে থমকে আছে বলে অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সিন্ডিকেটের কবলে ২৪ বছরের জন দুর্ভোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির কায়েমি স্বার্থ ও সিন্ডিকেটের চক্রান্তের কারণেই দীর্ঘ আড়াই ডজন বছর ছুঁইছুঁই সময়েও সেতুর কাজটি সম্পন্ন হয়নি। একটি সেতুর অভাবে দুই পারের কয়েক লাখ মানুষকে প্রতিদিন চরম ঝুঁকি ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পারাপারের একমাত্র ভরসা নড়বড়ে খেয়া নৌকা কিংবা দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছানো।
জনগণের মূল দাবি ও ক্ষোভ
আজ আয়োজিত প্রতিবাদ ও মানববন্ধনে বক্তারা বলেন:
অবিলম্বে নির্মাণকাজ শেষ করা: বালু নদীর ওপর এই সেতুটির অসমাপ্ত কাজ জরুরি ভিত্তিতে শেষ করে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া: আবাসন কোম্পানিগুলোর অবৈধ হস্তক্ষেপ ও সিন্ডিকেটের পাঁচতারা চক্রান্ত বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তদারকি নিশ্চিত করা: বেগম খালেদা জিয়ার উন্নয়ন প্রকল্পের এই ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহনকারী সেতুটি যেন আর এক দিনও আটকে না থাকে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সরাসরি তদারকি করতে হবে।
স্থানীয় এক ভুক্তভোগীর মন্তব্য:
“২৪ বছর একটি সেতুর জন্য অপেক্ষা করা চরম অন্যায়। আবাসন কোম্পানিগুলোর নিজ স্বার্থে আমাদের জীবন জিম্মি হয়ে আছে। আমরা চাই সরকার দ্রুত এই সিন্ডিকেট ভেঙে সেতু পারাপারের ব্যবস্থা করুক।”
অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি
এলাকাবাসী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু না হলে তারা আরও কঠোর সামাজিক আন্দোলন ও মহাসড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন। এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ ২৪ বছরের এই জনদুর্ভোগ নিরসনে কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।



















