সরাইলে খেলার ব্যানারে ছবি নিয়ে বিরোধ: পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগে উত্তেজনা, থানায় মামলা
- Update Time : ১০:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ৩৩ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে ফুটবল খেলার ব্যানারে ছবি সংযোজনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে একটি পুকুরে বিষ দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ নিধনের তীব্র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত বা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলারা বেগম বাদী হয়ে সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় আপোষ-মীমাংসার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে এলাকায় আয়োজিত একটি ফুটবল খেলার ব্যানারে ছবি যুক্ত করা নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ওই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের একটি মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। গভীর রাতে বিষের প্রভাবে পুকুরের বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে উঠলে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং উভয় পক্ষের সমর্থকরা তীব্র মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়।
পুকুরের মালিক বাবুল মিয়া জানান, “রাত তিনটার দিকে খবর পেয়ে পুকুরে এসে দেখি আমার সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসে। পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ বিষ দিয়ে আমার প্রায় কয়েক লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে। আমি এর উপযুক্ত বিচার চেয়ে থানায় মামলা করেছি। তবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে স্থানীয় নেতারা আপোষ করতে চাইলে আমার কোনো আপত্তি নেই।”
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্য তারেক মিয়া বলেন, “ফুটবল খেলার ব্যানারের ছবি নিয়ে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছিল—কথাটি সত্যি। তবে তারা আমাদের হয়রানি করার জন্য বিষ দিয়ে মাছ নিধনের মিথ্যা ও ভুয়া অভিযোগ তুলছে। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বললেই সত্যতা জানতে পারবেন।” তার মা দিলারা বেগম বলেন, “আমরা নিরীহ মানুষ। মিথ্যা মামলায় আমার স্বামী ও সন্তানদের জড়িয়ে নির্যাতন চালানো হচ্ছে।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় অধিবাসী জানান, দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছে। তবে বিষ দেওয়ার সময় কাউকে দেখা যায়নি এবং ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে বলা হচ্ছে বলে তাদের ধারণা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, “অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এলাকায় শান্ত



















