খুলনায় ম্যানহোল ও পাইপলাইনে এডিসের লার্ভা পর্যবেক্ষণ: কেসিসি প্রশাসক ও ওয়াসা চেয়ারম্যানের যৌথ পরিদর্শন
- Update Time : ১২:২৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১০ Time View

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:
খুলনা মহানগরীর সড়কসমূহে ওয়াসা কর্তৃক নির্মিত ম্যানহোল ও পাইপলাইনে এডিস মশার বংশ বিস্তারের বিষয়টি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। বুধবার সকালে উভয় সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকার ম্যানহোল ও পাইপলাইনসমূহ পরিদর্শন করেন তারা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ওয়াসার ম্যানহোলে এডিস মশার লার্ভা প্রজনন নিয়ে সংবাদ ও মতামত প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি গত ৭ সেপ্টেম্বর কেসিসি’র ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিকগণ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উত্থাপন করার পর দুই সংস্থার শীর্ষ প্রধানরা এই যৌথ পরিদর্শনের উদ্যোগ নেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক বলেন, “ডেঙ্গু জ্বরের ব্যাপক বিস্তারের তালিকায় খুলনাও রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনার আলোকে নগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গত মে মাস থেকেই সর্বশক্তি নিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। পুরোপুরি সফলতা না এলেও দায়িত্ব পালনে কেসিসির পক্ষ থেকে কোনো ঘাটতি ছিল না।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক জানান, ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক সভা আহ্বান করেন, যেখানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনসহ ৫টি সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা অংশ নেন। উক্ত সভায় কেসিসির বিগত দুই মাসের কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি আগামী ১২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে পুনরায় সভা করবেন বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশাবলী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগর ভবনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, আনসার ও স্কাউটসহ সব সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা আহ্বান করা হয়েছে। ওই সভার পর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে নতুন মাত্রায় নতুন কৌশল নিয়ে কাজ শুরু করা হবে।
কেসিসি প্রশাসক আরও জানান, নগরবাসীর সন্দেহ দূর করতে ইতোমধ্যে নগরীতে থাকা প্রায় ১৮ হাজার ম্যানহোলে মশার লার্ভা ও উড়ন্ত মশা নিধনে ওষুধ ছিটানোর কাজ শুরু হয়েছে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি স্প্রে করার কাজের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ৫ জন করে কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। একইসাথে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের আঙিনা পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি জোর আহ্বান জানান তিনি।



















