রাড্ডা হাসপাতালে ভাঙচুর: জড়িত ও মদদদাতাদের শাস্তির দাবিতে ৭ দিনের আলটিমেটাম
- Update Time : ০১:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৬ Time View

মিরপুর (ঢাকা): রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে (মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র) হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, নেপথ্যের মদদদাতাদের চিহ্নিতকরণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ঢাকা-১৪ আসনের সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে ঢাকা-১৪ আসনের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের আমীর ও ঢাকা-১৪ আসনের প্রধান সমন্বায়ক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন,
”মিরপুরের দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মা ও শিশুরা দীর্ঘদিন ধরে রাড্ডা হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে ও স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু একদল সুবিধাবাদী ও দখলদার চক্র রাতের আঁধারে অতর্কিত হামলা চালিয়ে কোটি কোটি টাকার চিকিৎসাসামগ্রী লুটপাট করে পুরো ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, হামলার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না এবং মূল মদদদাতারা অধরা থেকে যাচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় যেন অপরাধীর পার পাওয়ার ঢাল হতে না পারে—এ বিষয়ে সরকারকে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
সমাবেশ থেকে উত্থাপিত ৩ দফা দাবি:
আইনের আওতায় আনা: ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা এবং হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদের আগামী ৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে।
মালামাল উদ্ধার ও হাসপাতাল চালু: লুট হওয়া সকল মূলবান চিকিৎসাসামগ্রী, ওষুধপত্র ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম অবিলম্বে উদ্ধার করে হাসপাতালটি পুনরায় চালু ও আধুনিকায়ন করতে হবে।
প্রশাসনিক গাফিলতির তদন্ত: পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে কীভাবে এই তাণ্ডব চালানো হলো, সেই গাফিলতির নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
আপনি চাইলে প্রতিবেদনটিতে আরও কোনো তথ্য যুক্ত করতে বা এর কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে পারেন।



















