কুলাউড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ শুরু
- Update Time : ০৪:১৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৪ Time View

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে উপজেলার কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী পরিবারের নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাগাজুরা গ্রামের গাজীর বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদের পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউএনও সানজিদা আক্তার।
তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, আয়সহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। ফলে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির সুযোগ থাকবে না। যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরাই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সরকারি ভাতা পাবেন।
কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপকারভোগীদের সঠিক তথ্য দিয়ে তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহ্বায়ক রেদওয়ান খান, সহসভাপতি আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রব কাজল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত বুলবুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জুবের আহমদ খান, বিএনপি নেতা আব্দুল মতলিব ও যুবদল নেতা রাহেল মিয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
কার্যক্রমের কারিগরি ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন সম্পর্কে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা জানান, কুলাউড়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে মোট ১৪০ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৪ জন সুপারভাইজার দায়িত্ব পালন করবেন। তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং ট্যাব সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে উপজেলার সদর, ভূকশিমইল ও শরীফপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে তিনজন সুপারভাইজার ও ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী কাজ করছেন। সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা গ্রাম থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার চিহ্নিত করে সরকারি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম শুরুর পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা গেছে।



















