১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা ৪০ দিন ফজরের জামাত: কুলাউড়ায় বাইসাইকেলসহ নানা পুরস্কার পেল শিশু-কিশোর ও প্রবীণরা

রিপোর্টার রাশেদ আহমদ
  • Update Time : ০৭:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৩ Time View

​কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
কিশোরদের মসজিদমুখী করা, ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং সর্বস্তরের মানুষকে জামাতে সালাত আদায়ে অনুপ্রাণিত করতে এক ব্যতিক্রমি ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সুলতানপুর আল আরাফ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি। টানা ৪০ দিন জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায়কারী শিশু-কিশোর এবং প্রবীণ মুসল্লিদের মাঝে নানা ধরনের আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
​আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
​আয়োজনের মূল আকর্ষণ ও পুরস্কার
​শিশু-কিশোরদের মূল্যায়ন: নিয়মিত জামাতে সালাত আদায়ের ভিত্তিতে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য প্রথম পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় একটি ব্র্যান্ড নিউ বাইসাইকেল। এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদেরও পুরস্কৃত করা হয়।
​মক্তবে শতভাগ উপস্থিতি: কোমলমতি শিশুদের নিয়মিত কোরআন পাঠ ও দ্বীনি শিক্ষার প্রতি অনুরাগী করতে মাসব্যাপী মক্তবে শতভাগ উপস্থিতি বজায় রাখা শিশুদের বিশেষ উপহার দেওয়া হয়।
​প্রবীণদের সম্মাননা: ২৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী প্রবীণ মুসল্লিদের মধ্যে যারা নিয়মিত ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করেছেন, তাদের মধ্য থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দুজনকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
​পরিচালনা ও সার্বিক সহযোগিতা
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহমদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী (রাজীব)-এর যৌথ পরিচালনায় এবং একদল উদ্যমী সংগঠকের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়। সার্বিক পরিচালনায় সহযোগিতায় ছিলেন একে মোহাম্মদ আজাদ চৌধুরী পাভেল, কামরুল হাসান চৌধুরী মারুফ, আদনান এবং মসজিদের সম্মানিত ইমাম আবদুল মুমিন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক ও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
​আয়োজকদের বক্তব্য
আয়োজকরা জানান, “কেবল পুরস্কার বিতরণই আমাদের উদ্দেশ্য নয়; মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মসজিদের পবিত্র পরিবেশের সাথে পরিচিত করা, মক্তব শিক্ষায় আগ্রহী করা এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে অভ্যস্ত করে তোলা।”
​স্থানীয় বাসিন্দারা পরিচালনা কমিটির এমন মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অন্যান্য এলাকাতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক চর্চা ছড়িয়ে পড়ার আশা প্রকাশ করেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

টানা ৪০ দিন ফজরের জামাত: কুলাউড়ায় বাইসাইকেলসহ নানা পুরস্কার পেল শিশু-কিশোর ও প্রবীণরা

Update Time : ০৭:৪০:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
কিশোরদের মসজিদমুখী করা, ধর্মীয় শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং সর্বস্তরের মানুষকে জামাতে সালাত আদায়ে অনুপ্রাণিত করতে এক ব্যতিক্রমি ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সুলতানপুর আল আরাফ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি। টানা ৪০ দিন জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায়কারী শিশু-কিশোর এবং প্রবীণ মুসল্লিদের মাঝে নানা ধরনের আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
​আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
​আয়োজনের মূল আকর্ষণ ও পুরস্কার
​শিশু-কিশোরদের মূল্যায়ন: নিয়মিত জামাতে সালাত আদায়ের ভিত্তিতে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য প্রথম পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় একটি ব্র্যান্ড নিউ বাইসাইকেল। এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদেরও পুরস্কৃত করা হয়।
​মক্তবে শতভাগ উপস্থিতি: কোমলমতি শিশুদের নিয়মিত কোরআন পাঠ ও দ্বীনি শিক্ষার প্রতি অনুরাগী করতে মাসব্যাপী মক্তবে শতভাগ উপস্থিতি বজায় রাখা শিশুদের বিশেষ উপহার দেওয়া হয়।
​প্রবীণদের সম্মাননা: ২৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী প্রবীণ মুসল্লিদের মধ্যে যারা নিয়মিত ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করেছেন, তাদের মধ্য থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী দুজনকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
​পরিচালনা ও সার্বিক সহযোগিতা
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাক আহমদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী (রাজীব)-এর যৌথ পরিচালনায় এবং একদল উদ্যমী সংগঠকের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়। সার্বিক পরিচালনায় সহযোগিতায় ছিলেন একে মোহাম্মদ আজাদ চৌধুরী পাভেল, কামরুল হাসান চৌধুরী মারুফ, আদনান এবং মসজিদের সম্মানিত ইমাম আবদুল মুমিন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক ও বিপুল সংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
​আয়োজকদের বক্তব্য
আয়োজকরা জানান, “কেবল পুরস্কার বিতরণই আমাদের উদ্দেশ্য নয়; মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মসজিদের পবিত্র পরিবেশের সাথে পরিচিত করা, মক্তব শিক্ষায় আগ্রহী করা এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাতে অভ্যস্ত করে তোলা।”
​স্থানীয় বাসিন্দারা পরিচালনা কমিটির এমন মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অন্যান্য এলাকাতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক চর্চা ছড়িয়ে পড়ার আশা প্রকাশ করেন।