১০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক আটক; প্রিন্সিপালকে আটকের ঘটনায় ক্ষোভ ও নির্দোষ দাবি

রিপোর্টার খন্দকার রাজিউল মতীন ধ্রুব
  • Update Time : ০৯:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৪ Time View

​মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মারকাজুল উম্মাহ মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী এক আবাসিক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আল আমিন নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের সঙ্গে হাতাহাতির জেরে তথ্য গোপন ও উসকানির অভিযোগে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকেও আটক করা হয়। তবে প্রিন্সিপালের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তাঁর স্বজন ও এলাকাবাসীর একাংশ।
​শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুর স্বজন ও ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা মাদ্রাসায় গিয়ে বিচার দাবি করলে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় মাদ্রাসার পরিবেশ রক্ষায় ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রিন্সিপাল গেট বন্ধ করে দেন বলে জানা যায়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হলেও স্থানীয়দের দাবি, প্রিন্সিপাল কেবল বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ও আত্মরক্ষা করতেই ভূমিকা রেখেছিলেন।
​খবর পেয়ে মির্জাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক আল আমিনসহ প্রিন্সিপাল মনিরুজ্জামানকে থানায় নিয়ে যায়।
​এলাকাবাসীর একাংশ জানায়, মূল অপরাধ শিক্ষক আল আমিন করলেও প্রিন্সিপালকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ওসি জানান, মূল অভিযুক্ত ও প্রিন্সিপাল উভয়কেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে এবং ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

মির্জাপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষক আটক; প্রিন্সিপালকে আটকের ঘটনায় ক্ষোভ ও নির্দোষ দাবি

Update Time : ০৯:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মারকাজুল উম্মাহ মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী এক আবাসিক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আল আমিন নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয়দের সঙ্গে হাতাহাতির জেরে তথ্য গোপন ও উসকানির অভিযোগে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকেও আটক করা হয়। তবে প্রিন্সিপালের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তাঁর স্বজন ও এলাকাবাসীর একাংশ।
​শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুর স্বজন ও ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা মাদ্রাসায় গিয়ে বিচার দাবি করলে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় মাদ্রাসার পরিবেশ রক্ষায় ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রিন্সিপাল গেট বন্ধ করে দেন বলে জানা যায়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হলেও স্থানীয়দের দাবি, প্রিন্সিপাল কেবল বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ও আত্মরক্ষা করতেই ভূমিকা রেখেছিলেন।
​খবর পেয়ে মির্জাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক আল আমিনসহ প্রিন্সিপাল মনিরুজ্জামানকে থানায় নিয়ে যায়।
​এলাকাবাসীর একাংশ জানায়, মূল অপরাধ শিক্ষক আল আমিন করলেও প্রিন্সিপালকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ওসি জানান, মূল অভিযুক্ত ও প্রিন্সিপাল উভয়কেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে এবং ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।