১২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানিবন্দি মানুষের পাশে মণিরামপুর সমিতি জলাবদ্ধতাকবলিত এলাকায় খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৬ Time View

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:
ভবদহের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হাজারো মানুষ
পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের
পরিবারগুলো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও চিকিৎসাসেবার সংকটে পড়েছে। এমন
দুর্যোগময় সময়ে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে পানিবন্দি মানুষের
পাশে দাঁড়িয়েছে রাজধানীতে বসবাসকারী মণিরামপুরবাসীদের
অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ মণিরামপুর সমিতি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলার দুর্বাডাঙা ইউনিয়ন পরিষদসহ
নেহালপুর, কুলটিয়া, মনোহরপুর, হরিদাসকাটি ও শ্যামকুড় ইউনিয়নের
বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত অন্ততঃ ৩৫০পরিবারের মাঝে
খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গত
মানুষের হাতে এসব সামগ্রী পৌঁছে দেন।
ত্রাণ ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর সমিতি, ঢাকার
নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহসভাপতি জিয়াউদ্দিন
বাবলু,সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান কনি, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন
কবীর বাবলা, দপ্তর সম্পাদক মো. সবুর হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক
সালাউদ্দিন আহম্মেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুল হক টিটো, সদস্য
আবদুল্লাহ আল মামুন,অধ্যাপক মাহমুদুল ইমরান, আবদুল ওহাব ও
আসাদুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিসহ
সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মনিরামপুর সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ভবদহের
জলাবদ্ধতায় মণিরামপুরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এই
সংকটের সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও মানবিক
দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার
পাশাপাশি ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার চেষ্টা
থাকবে।’পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দা নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজের
সহকারী অধ্যাপক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরিবার
ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে। আয়-রোজগারের সুযোগ কমে যাওয়ায় নিম্নআয়ের
মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে
স্বেচ্ছাসেবীদের উপস্থিতি দুর্গত মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ও আশার
সঞ্চার করেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

পানিবন্দি মানুষের পাশে মণিরামপুর সমিতি জলাবদ্ধতাকবলিত এলাকায় খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা

Update Time : ০৯:১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:
ভবদহের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হাজারো মানুষ
পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের
পরিবারগুলো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও চিকিৎসাসেবার সংকটে পড়েছে। এমন
দুর্যোগময় সময়ে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে পানিবন্দি মানুষের
পাশে দাঁড়িয়েছে রাজধানীতে বসবাসকারী মণিরামপুরবাসীদের
অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ মণিরামপুর সমিতি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলার দুর্বাডাঙা ইউনিয়ন পরিষদসহ
নেহালপুর, কুলটিয়া, মনোহরপুর, হরিদাসকাটি ও শ্যামকুড় ইউনিয়নের
বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত অন্ততঃ ৩৫০পরিবারের মাঝে
খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গত
মানুষের হাতে এসব সামগ্রী পৌঁছে দেন।
ত্রাণ ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর সমিতি, ঢাকার
নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহসভাপতি জিয়াউদ্দিন
বাবলু,সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান কনি, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন
কবীর বাবলা, দপ্তর সম্পাদক মো. সবুর হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক
সালাউদ্দিন আহম্মেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুল হক টিটো, সদস্য
আবদুল্লাহ আল মামুন,অধ্যাপক মাহমুদুল ইমরান, আবদুল ওহাব ও
আসাদুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিসহ
সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মনিরামপুর সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ভবদহের
জলাবদ্ধতায় মণিরামপুরের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এই
সংকটের সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও মানবিক
দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার
পাশাপাশি ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার চেষ্টা
থাকবে।’পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দা নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজের
সহকারী অধ্যাপক মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরিবার
ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে। আয়-রোজগারের সুযোগ কমে যাওয়ায় নিম্নআয়ের
মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্য ও ওষুধ নিয়ে
স্বেচ্ছাসেবীদের উপস্থিতি দুর্গত মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ও আশার
সঞ্চার করেছে।