গাইবান্ধায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান
- Update Time : ০৯:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৬ Time View

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে গাইবান্ধা জেলাজুড়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা সদরসহ গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, পলাশবাড়ী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পৃথকভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে গাইবান্ধা শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মো. মনিরুজ্জামান।
অন্যদিকে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন:
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা
সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, “নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; তাঁর মানবিকতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা শিক্ষার্থীদের জীবনচর্চার অংশ করে তুলতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি তারা দেশ ও সমাজের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।”
অন্যান্য বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার এক অসাধারণ শক্তি। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের জীবন ও সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত করতে নিয়মিত এমন আয়োজনের বিকল্প নেই।
প্রতিযোগিতার সূচি ও কর্মসূচি:
আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টানা এসব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
বিষয়সমূহ: নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, হামদ-নাত ও ইসলামিক গান, গজল, উপস্থিত বক্তৃতা এবং রচনা প্রতিযোগিতা।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে গোবিন্দগঞ্জের ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



















