০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান

রিপোর্টার মোঃ হাসান আলী
  • Update Time : ০৯:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬ Time View

​জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে গাইবান্ধা জেলাজুড়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা সদরসহ গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, পলাশবাড়ী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পৃথকভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
​সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে গাইবান্ধা শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মো. মনিরুজ্জামান।
​অন্যদিকে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন:
​সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান
​গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
​উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ
​উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা
​সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, “নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; তাঁর মানবিকতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা শিক্ষার্থীদের জীবনচর্চার অংশ করে তুলতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি তারা দেশ ও সমাজের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।”
​অন্যান্য বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার এক অসাধারণ শক্তি। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের জীবন ও সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত করতে নিয়মিত এমন আয়োজনের বিকল্প নেই।
​প্রতিযোগিতার সূচি ও কর্মসূচি:
আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টানা এসব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
​বিষয়সমূহ: নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, হামদ-নাত ও ইসলামিক গান, গজল, উপস্থিত বক্তৃতা এবং রচনা প্রতিযোগিতা।
​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে গোবিন্দগঞ্জের ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

গাইবান্ধায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান

Update Time : ০৯:১৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

​জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে গাইবান্ধা জেলাজুড়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গাইবান্ধা সদরসহ গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, পলাশবাড়ী ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পৃথকভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
​সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে গাইবান্ধা শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মো. মনিরুজ্জামান।
​অন্যদিকে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন:
​সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান
​গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
​উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ
​উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা
​সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, “নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; তাঁর মানবিকতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার বার্তা শিক্ষার্থীদের জীবনচর্চার অংশ করে তুলতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি তারা দেশ ও সমাজের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।”
​অন্যান্য বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার এক অসাধারণ শক্তি। নতুন প্রজন্মকে নজরুলের জীবন ও সৃষ্টির সঙ্গে পরিচিত করতে নিয়মিত এমন আয়োজনের বিকল্প নেই।
​প্রতিযোগিতার সূচি ও কর্মসূচি:
আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টানা এসব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
​বিষয়সমূহ: নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, হামদ-নাত ও ইসলামিক গান, গজল, উপস্থিত বক্তৃতা এবং রচনা প্রতিযোগিতা।
​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে গোবিন্দগঞ্জের ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।