তালায় ইসলামকাটি বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের অভিযোগ, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা
- Update Time : ০৯:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২১ Time View

একই বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে তালা উপজেলা প্রশাসন।তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির এসব ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানার পর তাদের অভিভাবকদের ডেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রীদের সংসারে না পাঠিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের উপস্থিত করা হয়। সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। পাশাপাশি ছাত্রীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার জন্য অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার প্রভাস কুমার দাস, জেলা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির প্রশাসনিক প্রধান সাকিবুর রহমান, তালা থানার এসআই তৌহিদুজ্জামান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তালেব, তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রায়হান, সাংবাদিক জহর হাসান সাগরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এর মধ্যে ১১ জন ছাত্রী ও তাদের অভিভাবককে নোটিশ দেওয়া হয়। বাকি দুইজনের নোটিশ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, নোটিশের পর নির্ধারিত সময়ে আটজন ছাত্রীসহ ১১ জনের অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরে তাদের সঙ্গে কথা বলে বাল্যবিবাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং ছাত্রীদের বিদ্যালয়ে ফেরানোর বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, একই বিদ্যালয়ের ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানার পর তাদের বাবা-মাকে ডেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আপাতত তারা যেন সংসারে ফিরে না গিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে আসে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও দায়িত্বশীলদের ছাত্রীদের বিষয়ে আরও সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



















