ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,
১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: ল্যাপটপসহ ২ লাখ টাকার বৃত্তির ঘোষণা

admin
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 14

‘কিশোরকণ্ঠ পড়বো, জীবনটাকে গড়বো’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের পার্বতীপুরসহ ছয় উপজেলায় কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জনপ্রিয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ‘কিশোরকণ্ঠ পরীক্ষা-২০২৬’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।
​শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একযোগে জেলার পার্বতীপুর, হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও ফুলবাড়ী—এই ছয় উপজেলার মোট ১২টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্কুল ও মাদ্রাসার চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
​এর মধ্যে শুধু পার্বতীপুর উপজেলার তিনটি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। কেন্দ্রগুলো হলো:
​জ্ঞানাঙ্কুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়: ৬২৫ জন
​ভবানীপুর শেরপুর উচ্চ বিদ্যালয়: ২০৪ জন
​যশাই উচ্চ বিদ্যালয়: ৪১৩ জন
​পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের দিনাজপুর দক্ষিণ জেলার উপদেষ্টা আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী পরিচালক সারোয়ার হোসেন, পার্বতীপুর উপজেলা পরিচালক আল ইমরান ও উপজেলা সহকারী পরিচালক আল হাসির ইসলাম। এ ছাড়াও ভবানীপুর কেন্দ্রে জেলা উপদেষ্টা শাহীন আক্তার এবং যশাই কেন্দ্রে জেলা নির্বাহী সম্পাদক ওমর হান্নান উপস্থিত ছিলেন।
​ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল, সাধারণ ও বিশেষ—এই তিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে মোট ২ লাখ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর জন্য একটি আকর্ষণীয় ল্যাপটপ এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্যও বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
​আয়োজকরা জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২০০ টাকা নিবন্ধন ফি দিয়ে সশরীরে ও অনলাইনে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরির মাধ্যমেই তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
​আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করে তোলার পাশাপাশি জ্ঞানচর্চার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
​

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রিপোর্টারের তথ্য
admin

​দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: ল্যাপটপসহ ২ লাখ টাকার বৃত্তির ঘোষণা

প্রকাশের সময় : ০৭:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

‘কিশোরকণ্ঠ পড়বো, জীবনটাকে গড়বো’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের পার্বতীপুরসহ ছয় উপজেলায় কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জনপ্রিয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ‘কিশোরকণ্ঠ পরীক্ষা-২০২৬’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।
​শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একযোগে জেলার পার্বতীপুর, হাকিমপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও ফুলবাড়ী—এই ছয় উপজেলার মোট ১২টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্কুল ও মাদ্রাসার চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
​এর মধ্যে শুধু পার্বতীপুর উপজেলার তিনটি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। কেন্দ্রগুলো হলো:
​জ্ঞানাঙ্কুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়: ৬২৫ জন
​ভবানীপুর শেরপুর উচ্চ বিদ্যালয়: ২০৪ জন
​যশাই উচ্চ বিদ্যালয়: ৪১৩ জন
​পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের দিনাজপুর দক্ষিণ জেলার উপদেষ্টা আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন, সহকারী পরিচালক সারোয়ার হোসেন, পার্বতীপুর উপজেলা পরিচালক আল ইমরান ও উপজেলা সহকারী পরিচালক আল হাসির ইসলাম। এ ছাড়াও ভবানীপুর কেন্দ্রে জেলা উপদেষ্টা শাহীন আক্তার এবং যশাই কেন্দ্রে জেলা নির্বাহী সম্পাদক ওমর হান্নান উপস্থিত ছিলেন।
​ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল, সাধারণ ও বিশেষ—এই তিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাঝে মোট ২ লাখ টাকার বৃত্তি প্রদান করা হবে। পাশাপাশি, প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর জন্য একটি আকর্ষণীয় ল্যাপটপ এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্যও বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
​আয়োজকরা জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২০০ টাকা নিবন্ধন ফি দিয়ে সশরীরে ও অনলাইনে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন করে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরির মাধ্যমেই তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
​আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করে তোলার পাশাপাশি জ্ঞানচর্চার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
​