২৪ ঘণ্টার মধ্যে যৌথ অভিযান: রূপগঞ্জে যুবদল নেতা রিপন মিয়া হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সারোয়ার গ্রেপ্তার
- Update Time : ০২:৩০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় যুবদল নেতা রিপন মিয়া (৪২) কে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলার এজাহারনামীয় ৩ নম্বর অভিযুক্ত সারোয়ার খানকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিবরণ
গত ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে রূপগঞ্জ থানার পাইস্কা গ্রামের মৃত শহিদুল্লাহর ছেলে ও স্থানীয় যুবদল নেতা রিপন মিয়া তার ছেলে শাওন ইফাতকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পথিমধ্যে পাইস্কা এলাকার কলি মার্কেটের পাশে আমিনুল খানের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে কাজী রিফাত, কাজী তানভীর, সারোয়ার খানসহ ২০-৩০ জন দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায়।
এ সময় হামলাকারীরা বল্লম, চাপাতি, ছেনি ও ধারালো চাকু দিয়ে রিপন মিয়াকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। নিহতের ছেলে শাওন ইফাত প্রাণভয়ে পালিয়ে জীবন রক্ষা করেন। খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
যৌথ বাহিনীর অভিযান ও গ্রেপ্তার
হত্যা মামলা রুজু হওয়ার পর এর ছায়া তদন্ত এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনপত্রের প্রেক্ষিতে এসআরবি-১১, সদর কোম্পানি (নারায়ণগঞ্জ) এবং এসআরবি-১, সিপিএসসি, পোড়াবাড়ি (গাজীপুর) এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায়, ২০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল ৪টা ৫০ মিনিটে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ফ্লাইওভারের পাশে তানহা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে হত্যা মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি সারোয়ার খান ( পিতা-মোক্তার খান, সাং-পাইস্কা, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ)-কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সফলভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



















