০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিমলায় দাখিল মাদ্রাসায় পাঠদানে চরম অবহেলা: সুপারের উদাসীনতায় কমছে শিক্ষার্থী

হাবিবুর রহমান, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:
  • Update Time : ১১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪২ Time View

​নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ‘সম্মিলিত বন্দর খড়িবাড়ি ও ছাতনাই বালাপাড়া দাখিল মাদ্রাসা’র শিক্ষা কার্যক্রমে চরম বিশৃঙ্খলা ও পাঠদানে অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের সময়ানুবর্তিতার অভাব এবং মাদ্রাসার সুপারের চরম উদাসীনতায় প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।
​সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিয়মানুযায়ী সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। অনেক শিক্ষক সকাল ১০টা ৩০ মিনিট কিংবা ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে মাদ্রাসায় উপস্থিত হচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে প্রতিষ্ঠানে আসার কারণে ঠিকমতো পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না।
​নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার কারণে শিক্ষার্থীরাও মাদ্রাসামুখী হওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। ফলে দিন দিন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে।
​অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অচলাবস্থা নিয়ে মাদ্রাসার সুপার মো. মোনায়েম সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও উদাসীন ভূমিকা পালন করছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও তিনি কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেননি। প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমন ঢিলেঢালা মনোভাব ও তদারকির অভাবে মাদ্রাসার সার্বিক শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
​ঐতিহ্যবাহী এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

ডিমলায় দাখিল মাদ্রাসায় পাঠদানে চরম অবহেলা: সুপারের উদাসীনতায় কমছে শিক্ষার্থী

Update Time : ১১:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ‘সম্মিলিত বন্দর খড়িবাড়ি ও ছাতনাই বালাপাড়া দাখিল মাদ্রাসা’র শিক্ষা কার্যক্রমে চরম বিশৃঙ্খলা ও পাঠদানে অবহেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের সময়ানুবর্তিতার অভাব এবং মাদ্রাসার সুপারের চরম উদাসীনতায় প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।
​সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নিয়মানুযায়ী সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। অনেক শিক্ষক সকাল ১০টা ৩০ মিনিট কিংবা ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে মাদ্রাসায় উপস্থিত হচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে প্রতিষ্ঠানে আসার কারণে ঠিকমতো পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না।
​নিয়মিত ক্লাস না হওয়া এবং শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার কারণে শিক্ষার্থীরাও মাদ্রাসামুখী হওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। ফলে দিন দিন শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে।
​অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অচলাবস্থা নিয়ে মাদ্রাসার সুপার মো. মোনায়েম সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও উদাসীন ভূমিকা পালন করছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বে অবহেলা নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও তিনি কোনো কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেননি। প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমন ঢিলেঢালা মনোভাব ও তদারকির অভাবে মাদ্রাসার সার্বিক শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
​ঐতিহ্যবাহী এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।