ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির কঠোর অভিযান: গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ায় শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

Abdur Rohim
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 37

ঢাকা
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
​রাজধানী ঢাকার রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশাল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। অভিযানে ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান গুঁড়িয়ে দিয়ে মালামাল জব্দ করা হয়।
​বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিএসসিসির চারজন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদ কর্মী এবং পর্যাপ্ত পুলিশ বলের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ কার্যক্রমে পে-লোডারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
​অভিযান চলাকালে সরেজমিনে উপস্থিত থেকে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
​ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখা হচ্ছে। হকারদের ব্যবসার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে; তারা কেবল সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে এবং মূল রাস্তায় কোনোভাবেই কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না।”
​হকারদের আগাম সতর্ক করার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রশাসক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখতে বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করার পাশাপাশি হকার সংগঠনের নেতাদের সাথেও আমরা একাধিকবার বৈঠক করেছি। কিন্তু উচ্ছেদের পর বারবার পুনরায় বসে পড়ায় এখন আমাদের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। পরবর্তীতে নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে অভিযুক্তদের গ্রেফতারও করা হবে।”
​তিনি জানান, জনস্বার্থে ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই পদক্ষেপ একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে সামনেও অব্যাহত থাকবে।
​এই বিশাল উচ্ছেদ অভিযানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সিনিয়র সহকারী সচিব) মোঃ আমিনুল ইসলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

রিপোর্টারের তথ্য
আব্দুর রহিম

আব্দুর রহিম

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ডিএসসিসির কঠোর অভিযান: গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ায় শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

প্রকাশের সময় : ১০:১৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
​রাজধানী ঢাকার রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করে পথচারীদের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশাল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। অভিযানে ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান গুঁড়িয়ে দিয়ে মালামাল জব্দ করা হয়।
​বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিএসসিসির চারজন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদ কর্মী এবং পর্যাপ্ত পুলিশ বলের সমন্বয়ে এই অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ কার্যক্রমে পে-লোডারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
​অভিযান চলাকালে সরেজমিনে উপস্থিত থেকে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
​ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখা হচ্ছে। হকারদের ব্যবসার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে; তারা কেবল সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে এবং মূল রাস্তায় কোনোভাবেই কোনো হকার বসতে দেওয়া হবে না।”
​হকারদের আগাম সতর্ক করার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রশাসক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখতে বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করার পাশাপাশি হকার সংগঠনের নেতাদের সাথেও আমরা একাধিকবার বৈঠক করেছি। কিন্তু উচ্ছেদের পর বারবার পুনরায় বসে পড়ায় এখন আমাদের কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। পরবর্তীতে নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে অভিযুক্তদের গ্রেফতারও করা হবে।”
​তিনি জানান, জনস্বার্থে ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই পদক্ষেপ একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে সামনেও অব্যাহত থাকবে।
​এই বিশাল উচ্ছেদ অভিযানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সিনিয়র সহকারী সচিব) মোঃ আমিনুল ইসলাম।