০৯:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাংলাকে আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য”: নির্বাচনী মাঠে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জাকির হোসেন

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৭৪ Time View

​মেলান্দহ (জামালপুর):
আসন্ন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ৪নং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের রাজনীতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের মাঝে স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ৪নং নাংলা ইউনিয়ন বিএনপির তিনবারের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।
​ইউনিয়নের সুষম উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিয়ে তিনি দিন-রাত নাংলা ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও হাট-বাজারে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে জনসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।
​মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও দোয়া প্রার্থনা
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী চারাআইলদার জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন জাকির হোসেন। নামাজ শেষে তিনি স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি এলাকার সার্বিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও আসন্ন নির্বাচনে নিজের সফলতার জন্য সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চান। এতে ইউনিয়ন বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
​মাদকমুক্ত সমাজ ও ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ গড়ার উদ্যোগ
যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। স্থানীয় পর্যায়ে আয়োজিত ফুটবল ম্যাচসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় সরাসরি অংশ নিয়ে তিনি তরুণদের উৎসাহ যোগাচ্ছেন। যুবসমাজকে সুস্থ ও সুন্দর ধারায় ফিরিয়ে আনতে একটি ক্রীড়াবান্ধব সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।
​নাগরিক সেবা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার
গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে জাকির হোসেন বলেন, “নাংলা ইউনিয়নের মানুষ দীর্ঘদিন যাবত কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা ও টেকসই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। জনগণ মূল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করলে নাংলাকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত এবং আধুনিক আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই আমার পথচলার মূল প্রেরণা।”
​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততা, সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণেই সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাকে ঘিরে জোরালো আস্থা তৈরি হয়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নাংলাকে আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই লক্ষ্য”: নির্বাচনী মাঠে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জাকির হোসেন

Update Time : ০৬:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​মেলান্দহ (জামালপুর):
আসন্ন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ৪নং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের রাজনীতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের মাঝে স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ৪নং নাংলা ইউনিয়ন বিএনপির তিনবারের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।
​ইউনিয়নের সুষম উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিয়ে তিনি দিন-রাত নাংলা ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও হাট-বাজারে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে জনসংযোগ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।
​মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও দোয়া প্রার্থনা
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী চারাআইলদার জামে মসজিদে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেন জাকির হোসেন। নামাজ শেষে তিনি স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি এলাকার সার্বিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও আসন্ন নির্বাচনে নিজের সফলতার জন্য সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চান। এতে ইউনিয়ন বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
​মাদকমুক্ত সমাজ ও ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ গড়ার উদ্যোগ
যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতির হাত থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত মাঠে সক্রিয় রয়েছেন এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। স্থানীয় পর্যায়ে আয়োজিত ফুটবল ম্যাচসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় সরাসরি অংশ নিয়ে তিনি তরুণদের উৎসাহ যোগাচ্ছেন। যুবসমাজকে সুস্থ ও সুন্দর ধারায় ফিরিয়ে আনতে একটি ক্রীড়াবান্ধব সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি।
​নাগরিক সেবা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার
গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে জাকির হোসেন বলেন, “নাংলা ইউনিয়নের মানুষ দীর্ঘদিন যাবত কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা ও টেকসই উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। জনগণ মূল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করলে নাংলাকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত এবং আধুনিক আদর্শ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই আমার পথচলার মূল প্রেরণা।”
​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততা, সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকার কারণেই সাধারণ ভোটারদের মাঝে তাকে ঘিরে জোরালো আস্থা তৈরি হয়েছে।