০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান

শাহিনুর ইসলামঃ বিশেষ প্রতিনিধি:
  • Update Time : ০৪:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৩০ Time View

ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ কর্মসূচি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলবে।

সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন (সাতক্ষীরা-১, ২, ৩ ও ৪ আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত)-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন আলমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা ও লিফলেট পৌঁছে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মহসিন আলম নিজে সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে মাইকিং করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কিত বার্তা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।

অভিযানের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা সদর থানার ভেতরের ড্রেন ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের বিভিন্ন স্থানে মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানি অপসারণ, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে মহসিন আলম বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসন বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার কিংবা প্লাস্টিকের বোতলে সামান্য জমে থাকা পানিতেও এডিস মশা ডিম পাড়ে। তাই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে চারপাশ পরিষ্কার রাখলে এবং সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে আমাদের বাংলাদেশ আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “এটি কেবল সাতক্ষীরা নয়, সারা দেশেই জোরালোভাবে পালন করা প্রয়োজন। দলীয় নেতা-কর্মী কিংবা সরকারের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ একযোগে এগিয়ে এলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।”

আয়োজকরা জানান, দুই দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে সাতক্ষীরা শহরজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি হবে এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা জোরদার হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান

Update Time : ০৪:১৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রতিরোধ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এ কর্মসূচি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলবে।

সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন (সাতক্ষীরা-১, ২, ৩ ও ৪ আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত)-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মহসিন আলমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বার্তা ও লিফলেট পৌঁছে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মহসিন আলম নিজে সাতক্ষীরা জেলাজুড়ে মাইকিং করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কিত বার্তা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।

অভিযানের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা সদর থানার ভেতরের ড্রেন ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের বিভিন্ন স্থানে মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হয়। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানি অপসারণ, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে মহসিন আলম বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসন বা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার কিংবা প্লাস্টিকের বোতলে সামান্য জমে থাকা পানিতেও এডিস মশা ডিম পাড়ে। তাই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে চারপাশ পরিষ্কার রাখলে এবং সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে আমাদের বাংলাদেশ আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ হয়ে সামনে এগিয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “এটি কেবল সাতক্ষীরা নয়, সারা দেশেই জোরালোভাবে পালন করা প্রয়োজন। দলীয় নেতা-কর্মী কিংবা সরকারের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ একযোগে এগিয়ে এলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।”

আয়োজকরা জানান, দুই দিনব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে সাতক্ষীরা শহরজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি হবে এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা জোরদার হবে।