মানিকগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে পুরনো ভিডিও ভাইরাল ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ ‘কথিত সাংবাদিকের’ বিরুদ্ধে
- Update Time : ০১:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫ Time View

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চাঁদা না পেয়ে তিন-চার মাস আগের পুরনো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ফজলুল হক নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যিনি নিজেকে ‘PTV বাংলা’ নামের একটি অনলাইন পোর্টালের প্রতিনিধি পরিচয় দেন।
ভুক্তভোগী দলিল লেখক মো. ওয়াজেদ আলী খানের পরিবার এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকতার আড়ালে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী মো. ওয়াজেদ আলী খান জানান, তিনি চর-আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা। সিংগাইর সানসেট মিল এলাকায় তার মালিকানাধীন একটি বসতবাড়ি বিক্রির জন্য তিনি বন্ধু মানিক ভূঁইয়ার কাছে চাবি দিয়েছিলেন। সম্প্রতি বাড়িটি এক সম্ভাব্য ক্রেতাকে দেখাতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন যুবক তাদের আটকে রেখে হয়রানি করে।
পরবর্তীতে ‘PTV বাংলা’র প্রতিনিধি পরিচয়দানকারী ফজলুল হকের ইন্ধনে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই-বাছাই করে কোনো অপরাধ না পাওয়ায় সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাদের সসম্মানে ছেড়ে দেন।
ওয়াজেদ আলী খানের অভিযোগ, থানায় অবস্থানকালে হাতকড়া পরা অবস্থায় তাদের একটি গোপন ভিডিও ধারণ করেন কথিত সাংবাদিক ফজলুল হক। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে একাধিকবার টাকা আদায় করা হয়।
সম্প্রতি ফজলুল হক আবারও অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে ভুক্তভোগী তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর তিন-চার মাস আগের পুরনো ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, ফজলুল হকের নিজের একটি পারিবারিক মামলায় ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়াজেদ আলীকে জড়ানো হয়েছে বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফজলুল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিংগাইর থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















