ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬,
১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইনানীতে সপ্তম দিনেও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণে বাপেক্স

MD.SHAH ALAM
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 43

Oplus_131072

নিয়ন্ত্রণে কারিগরি জটিলতা, তেলজাতীয় উপাদানের সম্ভাব্য ইঙ্গিত; নতুন গ্যাসক্ষেত্রের আশায় তাকিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় মহল।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে লাগা আগুন সপ্তম দিনেও নেভেনি। গত ২৭ অক্টোবর সকালে শুরু হওয়া গ্যাসের এই উদগীরণ ২ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। একদিকে আগুনের কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, অন্যদিকে ভূগর্ভে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) ও পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে গ্যাসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এটি বড় কোনো গ্যাসক্ষেত্রের অংশ, নাকি অগভীর ভূগর্ভস্থ সীমিত গ্যাসের মজুত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোট ইনানী এলাকায় একটি বসতবাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছিল। প্রায় এক হাজার ফুট গভীরতায় খননকাজের একপর্যায়ে ভূগর্ভ থেকে গ্যাস ও পানি বের হতে শুরু করে। পরে গ্যাসে আগুন ধরে যায়। এরপর থেকে টানা সপ্তম দিনের মতো জ্বলছে আগুন।

পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় ঘটনাস্থলের ২০০ মিটারের মধ্যে মানুষের প্রবেশ ও অবস্থান নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

নিয়ন্ত্রণে যত জটিলতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনানীর ঘটনায় অন্যতম জটিলতা হচ্ছে ভূগর্ভের অগভীর স্তর থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গ্যাস বেরিয়ে আসা। সাধারণত গভীর গ্যাসকূপের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও অগভীর স্তরের গ্যাস নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ধরনের কারিগরি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।

এ ছাড়া গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করতে সরাসরি ব্যবস্থা নিলে ভূগর্ভের অন্য কোনো ফাটল দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে আসার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে তাড়াহুড়ো করে আগুন নেভানো বা গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করার পরিবর্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, এটি ফরমেশন গ্যাস হতে পারে। ঘটনাস্থলে পানির উপস্থিতি দেখা যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাসের প্রবাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করবে বাপেক্স

গ্যাসের নির্গমন ও আগুনের পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কমিটি। এ সময় গ্যাসের প্রবাহ, অগ্নিশিখার উচ্চতা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পর্যবেক্ষণ শেষে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে গ্যাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এ পদ্ধতিতে মূল নির্গমনস্থলের পাশে বিকল্প কূপ খননের মাধ্যমে গ্যাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে।

কালো আগুনে তেল বা কনডেনসেটের ইঙ্গিত

ইনানীর ঘটনায় বিশেষজ্ঞদের আগ্রহের আরেকটি কারণ হচ্ছে অগ্নিশিখার কালচে রং। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেটজাতীয় উপাদান নির্গমনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তবে গ্যাসের প্রকৃত উপাদান, উৎস ও পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা বিশ্লেষণ ও ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধান প্রয়োজন।

নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাবনা, আশায় জ্বালানি খাত

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার মধ্যে ইনানীর এই ঘটনা নতুন সম্ভাবনার আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনুসন্ধানে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত এবং বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনের উপযোগিতা নিশ্চিত হলে তা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হতে পারে।

বিশেষ করে কক্সবাজার ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে নতুন গ্যাসের উৎস আবিষ্কৃত হলে শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনাও সৃষ্টি হতে পারে।

তবে শুধু গ্যাসের উদগীরণ কিংবা আগুন জ্বলার ঘটনাকে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই। এর জন্য প্রয়োজন ভূতাত্ত্বিক জরিপ, সিসমিক পরীক্ষা, গ্যাসের মজুত নিরূপণ এবং বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই।

স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ

টানা সাত দিন ধরে গ্যাসের আগুন জ্বলতে থাকায় ঘটনাস্থলের আশপাশের ছোট ইনানী খাল ও শফিরবিল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

সব মিলিয়ে ইনানীর ভূগর্ভ থেকে গ্যাসের এই উদগীরণ একদিকে স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে, অন্যদিকে দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার প্রশ্ন সামনে এনেছে। এখন বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার ১৫ দিনের পর্যবেক্ষণ এবং পরবর্তী ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রিপোর্টারের তথ্য
মো.শাহ আলম

মো.শাহ আলম

উপজেলা প্রতিনিধি, ঈদগাঁও, কক্সবাজার

ইনানীতে সপ্তম দিনেও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ দিন পর্যবেক্ষণে বাপেক্স

প্রকাশের সময় : ০৮:১৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নিয়ন্ত্রণে কারিগরি জটিলতা, তেলজাতীয় উপাদানের সম্ভাব্য ইঙ্গিত; নতুন গ্যাসক্ষেত্রের আশায় তাকিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় মহল।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীতে গভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে লাগা আগুন সপ্তম দিনেও নেভেনি। গত ২৭ অক্টোবর সকালে শুরু হওয়া গ্যাসের এই উদগীরণ ২ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। একদিকে আগুনের কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, অন্যদিকে ভূগর্ভে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) ও পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে গ্যাসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এটি বড় কোনো গ্যাসক্ষেত্রের অংশ, নাকি অগভীর ভূগর্ভস্থ সীমিত গ্যাসের মজুত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোট ইনানী এলাকায় একটি বসতবাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছিল। প্রায় এক হাজার ফুট গভীরতায় খননকাজের একপর্যায়ে ভূগর্ভ থেকে গ্যাস ও পানি বের হতে শুরু করে। পরে গ্যাসে আগুন ধরে যায়। এরপর থেকে টানা সপ্তম দিনের মতো জ্বলছে আগুন।

পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় ঘটনাস্থলের ২০০ মিটারের মধ্যে মানুষের প্রবেশ ও অবস্থান নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

নিয়ন্ত্রণে যত জটিলতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনানীর ঘটনায় অন্যতম জটিলতা হচ্ছে ভূগর্ভের অগভীর স্তর থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গ্যাস বেরিয়ে আসা। সাধারণত গভীর গ্যাসকূপের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে প্রচলিত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও অগভীর স্তরের গ্যাস নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন ধরনের কারিগরি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।

এ ছাড়া গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করতে সরাসরি ব্যবস্থা নিলে ভূগর্ভের অন্য কোনো ফাটল দিয়ে গ্যাস বেরিয়ে আসার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে তাড়াহুড়ো করে আগুন নেভানো বা গ্যাসের প্রবাহ বন্ধ করার পরিবর্তে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাপেক্সের ভূতাত্ত্বিক বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ধারণা, এটি ফরমেশন গ্যাস হতে পারে। ঘটনাস্থলে পানির উপস্থিতি দেখা যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাসের প্রবাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করবে বাপেক্স

গ্যাসের নির্গমন ও আগুনের পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১৫ দিন পর্যবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কমিটি। এ সময় গ্যাসের প্রবাহ, অগ্নিশিখার উচ্চতা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

পর্যবেক্ষণ শেষে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে গ্যাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রিলিফ কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এ পদ্ধতিতে মূল নির্গমনস্থলের পাশে বিকল্প কূপ খননের মাধ্যমে গ্যাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে।

কালো আগুনে তেল বা কনডেনসেটের ইঙ্গিত

ইনানীর ঘটনায় বিশেষজ্ঞদের আগ্রহের আরেকটি কারণ হচ্ছে অগ্নিশিখার কালচে রং। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে গ্যাসের সঙ্গে তেল বা কনডেনসেটজাতীয় উপাদান নির্গমনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তবে গ্যাসের প্রকৃত উপাদান, উৎস ও পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা বিশ্লেষণ ও ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধান প্রয়োজন।

নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাবনা, আশায় জ্বালানি খাত

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার মধ্যে ইনানীর এই ঘটনা নতুন সম্ভাবনার আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনুসন্ধানে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত এবং বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনের উপযোগিতা নিশ্চিত হলে তা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হতে পারে।

বিশেষ করে কক্সবাজার ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে নতুন গ্যাসের উৎস আবিষ্কৃত হলে শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনাও সৃষ্টি হতে পারে।

তবে শুধু গ্যাসের উদগীরণ কিংবা আগুন জ্বলার ঘটনাকে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই। এর জন্য প্রয়োজন ভূতাত্ত্বিক জরিপ, সিসমিক পরীক্ষা, গ্যাসের মজুত নিরূপণ এবং বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই।

স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ

টানা সাত দিন ধরে গ্যাসের আগুন জ্বলতে থাকায় ঘটনাস্থলের আশপাশের ছোট ইনানী খাল ও শফিরবিল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানুষের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।

সব মিলিয়ে ইনানীর ভূগর্ভ থেকে গ্যাসের এই উদগীরণ একদিকে স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে, অন্যদিকে দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার প্রশ্ন সামনে এনেছে। এখন বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার ১৫ দিনের পর্যবেক্ষণ এবং পরবর্তী ভূতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।