০২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কসবার চিহ্নিত মাদক কারবারি সুমনের পতন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

​মোঃ বাদশা মিয়া সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
  • Update Time : ০৭:৪৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৯ Time View

সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অভিনব কৌশলে শহরের আনাচে-কানাচে মাদক সরবরাহের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) জালে ধরা পড়লেন সুমন মিয়া (৪৫) নামের এক চিহ্নিত মাদক কারবারি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা-সিলেট ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার রাধিকা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
​ডিএনসি সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা যায়, কসবা ও নবীনগর সীমান্ত এলাকাকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা সরবরাহ আসছিল একটি চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বিশেষ আভিযানিক দল সদর থানাধীন সুলতানপুর ইউনিয়নের রাধিকা বাজারস্থ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে ‘দয়াল এন্টারপ্রাইজ’ নামীয় দোকানের সামনে ওত পেতে থাকে। সন্দেহভাজন হিসেবে সুমন মিয়াকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
​অনুসন্ধানে আসামির পরিচিতি:
গ্রেপ্তারকৃত সুমন মিয়া (৪৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা ইউনিয়নের নারুই ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের মৃত বজলু মিয়া ও মৃত শাহারা খাতুনের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কসবা উপজেলার চন্ডিদ্বার ইউনিয়নের ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুরুহিত উত্তরপাড়া এলাকায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন। পুলিশের ধারণা, কসবা উপজেলার সীমান্তবর্তী অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকের চালান বহন ও হাতবদল করতেন।
​আইনি ব্যবস্থা:
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ তায়রিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
​জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সাজেদুল হাসান জানান, জেলাকে মাদকমুক্ত করতে ডিএনসি-র এমন ঝটিকা ও অনুসন্ধানী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কসবার চিহ্নিত মাদক কারবারি সুমনের পতন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

Update Time : ০৭:৪৩:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অভিনব কৌশলে শহরের আনাচে-কানাচে মাদক সরবরাহের অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) জালে ধরা পড়লেন সুমন মিয়া (৪৫) নামের এক চিহ্নিত মাদক কারবারি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা-সিলেট ও কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার রাধিকা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
​ডিএনসি সূত্র ও অনুসন্ধানে জানা যায়, কসবা ও নবীনগর সীমান্ত এলাকাকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা সরবরাহ আসছিল একটি চক্র। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বিশেষ আভিযানিক দল সদর থানাধীন সুলতানপুর ইউনিয়নের রাধিকা বাজারস্থ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে ‘দয়াল এন্টারপ্রাইজ’ নামীয় দোকানের সামনে ওত পেতে থাকে। সন্দেহভাজন হিসেবে সুমন মিয়াকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
​অনুসন্ধানে আসামির পরিচিতি:
গ্রেপ্তারকৃত সুমন মিয়া (৪৫) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা ইউনিয়নের নারুই ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের মৃত বজলু মিয়া ও মৃত শাহারা খাতুনের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কসবা উপজেলার চন্ডিদ্বার ইউনিয়নের ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুরুহিত উত্তরপাড়া এলাকায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন। পুলিশের ধারণা, কসবা উপজেলার সীমান্তবর্তী অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকের চালান বহন ও হাতবদল করতেন।
​আইনি ব্যবস্থা:
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ তায়রিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
​জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সাজেদুল হাসান জানান, জেলাকে মাদকমুক্ত করতে ডিএনসি-র এমন ঝটিকা ও অনুসন্ধানী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের মূল হোতাদের চিহ্নিত করতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।