০৭:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে পরিবেশবান্ধব শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: সৌরবিদ্যুতে স্বাবলম্বী একাইটিস রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩৭ Time View

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নিরবচ্ছিন্ন পাঠদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুতের সফল ব্যবহার শুরু করেছে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আমতলীতে অবস্থিত একাইটিস রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। নিজস্ব সোলার প্যানেলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ভবিষ্যতে এই উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫ থেকে ৪০ কিলোওয়াটে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে।
​২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলামের সুনিপুণ পরিচালনায় বর্তমানে তিনটি শাখায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নার্সারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
​💡 সৌরবিদ্যুতের সুফল ও কর্তৃপক্ষের ভাবনা
​প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের মতে, সৌরবিদ্যুতের এই যুগান্তকারী ব্যবহার একদিকে যেমন বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমাবে, অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের সময়ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান রাখবে একদম নির্বিঘ্ন। এর ফলে যে অর্থ সাশ্রয় হবে, তা সরাসরি শিক্ষার মানোন্নয়নে পুনর্ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হবে।
​”শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়—সেই লক্ষ্যেই এই সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুরো প্রতিষ্ঠানকে শতভাগ সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।”
— মোঃ আশরাফুল ইসলাম (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, একাইটিস রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ)
​🌿 সচেতনতা ও টেকসই শিক্ষার সম্ভাবনা
​স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন সুধীজনেরা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে:
​পরিবেশ সচেতনতা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের মাঝে শুরু থেকেই পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে উঠবে।
​টেকসই ব্যবস্থা: এ ধরনের উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি একটি টেকসই ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গঠনে অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।
​প্রতিবেদন সংক্রান্ত তথ্যাবলী:
​প্রকাশক: দৈনিক জনতার খবর
​বিশেষ প্রতিবেদক: মোঃ মশিউর ইসলাম
​তারিখ: ১১ অক্টোবর ২০২৬
​যোগাযোগ/মোবাইল: ০১৭৭৪৭০০৪৬০

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

দিনাজপুরে পরিবেশবান্ধব শিক্ষার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: সৌরবিদ্যুতে স্বাবলম্বী একাইটিস রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

Update Time : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নিরবচ্ছিন্ন পাঠদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুতের সফল ব্যবহার শুরু করেছে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আমতলীতে অবস্থিত একাইটিস রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। নিজস্ব সোলার প্যানেলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ভবিষ্যতে এই উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫ থেকে ৪০ কিলোওয়াটে উন্নীত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে।
​২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলামের সুনিপুণ পরিচালনায় বর্তমানে তিনটি শাখায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নার্সারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
​💡 সৌরবিদ্যুতের সুফল ও কর্তৃপক্ষের ভাবনা
​প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের মতে, সৌরবিদ্যুতের এই যুগান্তকারী ব্যবহার একদিকে যেমন বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমাবে, অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের সময়ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান রাখবে একদম নির্বিঘ্ন। এর ফলে যে অর্থ সাশ্রয় হবে, তা সরাসরি শিক্ষার মানোন্নয়নে পুনর্ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হবে।
​”শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পায়—সেই লক্ষ্যেই এই সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুরো প্রতিষ্ঠানকে শতভাগ সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।”
— মোঃ আশরাফুল ইসলাম (প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, একাইটিস রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ)
​🌿 সচেতনতা ও টেকসই শিক্ষার সম্ভাবনা
​স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন সুধীজনেরা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে:
​পরিবেশ সচেতনতা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে শিক্ষার্থীদের মাঝে শুরু থেকেই পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে উঠবে।
​টেকসই ব্যবস্থা: এ ধরনের উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি একটি টেকসই ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা গঠনে অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।
​প্রতিবেদন সংক্রান্ত তথ্যাবলী:
​প্রকাশক: দৈনিক জনতার খবর
​বিশেষ প্রতিবেদক: মোঃ মশিউর ইসলাম
​তারিখ: ১১ অক্টোবর ২০২৬
​যোগাযোগ/মোবাইল: ০১৭৭৪৭০০৪৬০