দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে খুলনায় কেসিসির প্রস্তুতি সভা: ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান
- Update Time : ১১:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১২ Time View

শাহিনুর ইসলামঃ বিশেষ প্রতিনিধি:
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনানুযায়ী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) থেকে দেশের সব জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় একযোগে তিন মাসব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হবে। শনিবার সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সময়ে খুলনার শহিদ হাদিস পার্ক থেকে অনলাইনে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে আঞ্চলিকভাবে এ অভিযানের শুভ সূচনা করা হবে।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “দেশের যেসব অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, তার মধ্যে খুলনা অন্যতম। চলতি ও আগামী মাস ডেঙ্গু সংক্রমণের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।” তিনি উল্লেখ করেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি সভা করে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী বেশ কিছু তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন। কেসিসি প্রশাসক সব সরকারি দপ্তর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নগরবাসীকে নিজ নিজ আঙিনা ও অভ্যন্তরীণ স্থান পরিচ্ছন্ন রাখার জোর আহ্বান জানান।
সভায় গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ: প্রতি শনিবার সব অফিস চত্বর ও কাঁচাবাজার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ওয়ার্ড পর্যায়ে নিবিড় মনিটরিং কমিটি গঠন। কেসিসিতে ব্যবহৃত মশকনিধন ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা ও আরও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ প্রয়োগের বিষয়ে খুলনার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়া।নগরীর ১৮ হাজার ম্যানহোলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওষুধ স্প্রে করা। ডেঙ্গু রোগীদের সেবায় নতুন ৩টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরে প্যান্ডেল বানিয়ে অস্থায়ী শয্যা সংখ্যা বাড়ানো। স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মাঝে বিনামূল্যে মশারি বিতরণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা এবং জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা।
উক্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধি, নাগরিক নেতা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন।



















